ঢাকা, মঙ্গলবার ০৩, নভেম্বর ২০২৬ ১৪:২৬:৩৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল : ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মারুফাকে ছাড়া নারী টি-টোয়েন্টি দল জেল হত্যা দিবস: শোক ও বেদনায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ সেই বীথি এখন হেড কোচ, স্বপ্নের পরিসর আরও বড় ১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে ‘মুরাসু’র আঘাত

শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল : ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২৭ পিএম, ৩ নভেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

শিশু সহিংসতা দমন ও প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনে বিচার প্রক্রিয়া তরান্বিত করা হয়েছে। সেই লক্ষে সারা দেশে গঠিত হয়েছে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। শিশু সহিংসতায় করা মামলায় এই ট্রাইব্যুনালে সাজার পাশাপাশি অর্থদণ্ডের আদেশ  দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল গত ৯ মাসে ২টি মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং ৪টি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল গত ৭ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এই মামলা মাত্র ৫ কার্যদিবসে রায় ঘোষণা করা হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সরকার ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ প্রণয়ন করে। এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রতি জেলা সদরে একটি করে ট্রাইব্যুনাল থাকবে এবং প্রয়োজনে সরকার উক্ত জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনালও গঠন করতে পারবে। এই ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হবে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

এরই ধারাবাহিকতায় শিশু ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচারে সরকার পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেয়। এর উদ্দেশ্য  ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ, ভিকটিমকে সুরক্ষা দেওয়া এবং কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল এই বিশেষ ট্রাইব্যুনালেরই অংশ। নবগঠিত এই ট্রাইব্যুনাল গত বছর জুন মাস থেকে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু করে।

এই ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের পর হত্যার মামলার বিচার করা হয়। 


ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বাসসকে বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে ট্রাইব্যুনালে ৪৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি মামলায় আসামিদের সাজা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত ৬টি মামলার মধ্যে ২টি মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং ৪টি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
বর্তমানে এই ট্রাইব্যুনালে ১ হাজার ৯২১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। 

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর  পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, শিশু সহিংসতার মামলার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। শিশু সহিংসতা মামলা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য সরকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। শিশু সহিংসতার মামলায় শুধু কারাদণ্ড নয়, মৃত্যুদণ্ড ও বড় অংকের অর্থদণ্ডের রায় দিচ্ছে ট্রাইব্যুনাল। রায়ে ক্ষতিপূরণের অর্থ ভিকটিমের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ সাজার বিধান রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল সেই বিধান কঠোরভাবে প্রয়োগ করছে।
সূত্র: বাসস