শ্যামলীর ভাগ্য পরিবর্তনের সাতকাহণ
অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১০:১২ পিএম, ১ জুলাই ২০১৯ সোমবার
নওগাঁয় একটি বাড়ি একটি খামার কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়ে শ্যামলী বেগম স্বাবলম্বী হয়েছেন। অভাবের সাথে পাল্লা দিয়ে একদিন যে পরিবার প্রতিদিন হিমশিম খেয়েছে। সেই সংসারেই আজ এসেছে সুখ আর স্বাচ্ছন্দ।
নওগাঁ সদর উপজেলার শৈলগাছি ইউনিয়নের মকরমপুর গ্রামের মোঃ সানোয়ার হোসেন দর্জির কাজ করতেন। গৃহবধূ স্ত্রী শ্যামলী বেগম ঘরকন্যার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। গ্রামাঞ্চলে দর্জির কাজের তেমন কোন প্রসার ছিলনা। তাই আয় ছিল খুবই সামান্য। এ সামান্য আয়ে সংসার চালানো ছিল দুরুহ। কাজেই অভাব অনটন, অনাহার অর্ধাহার ছিল সংসারের প্রাত্যহিক চিত্র।
এক পর্যায়ে শ্যামলী বেগম ২০১৪ সালে যুক্ত হন একটি বাড়ি একটি খামার কার্যক্রমের সাথে। সদস্যভুক্তি হয়ে প্রথমে ১০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করেন। ছোট আকারে মুরগীর খামার গড়ে তোলেন। এ ভাবে পরবর্তীতে ২০ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। যথাসময়ে ঋণ পরিশোধ ও করেন। তাঁর উপর কর্মসূচির কর্মকর্তাদের আস্থা বেড়ে যায়।
আমার বাড়ি আমার খামার কর্মসূচির জেলা সমন্বয়কারী পল্লব কুমার সাহা জানিয়েছেন শ্যামলী বেগম অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং নিষ্ঠাবান একজন সদস্য। তাকে ঋণ দেয়া কোন সংশয়ের কারণ নয়। কাজেই পরবর্তীতে তাঁকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে মাত্র শতকরা ৫ টাকা সুদে ৫০ হাজার টাকা ঋণ দেয়া হয়। বড় আকারে গড়ে তোলেন মুরগীর খামার। গৃহিত ৫০ হাজার টাকা ও পরিশোধ করেন শ্যামলী বেগম। এখন তাঁর পুরোটাই নিজস্ব পুঁজি। তবে বর্তমানে পঞ্চম বারের মত ঋণ হিসেবে ১ লক্ষ টাকা প্রদানের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে।
শ্যামলী বেগম জানান বর্তমানে তার মুরগীর খামারে ৫শ মুরগী আছে। তিনি তার খামারে ১ দিন বয়সের বাচ্চা নিয়ে এসে বড় করে ৩২ দিন বয়সে বিক্রি করেন। প্রতিটি ২০ টাকা হিসেবে ১ দিনের ৫শ বাচ্চা নিয়ে আসেন ১০ হাজার টাকায়। এ ৩২ দিনে অন্যান্য খরচের মধ্যে ২৩ বস্তা খাদ্য ৫২ হাজার ৯শ টাকা, তুষ ২ হাজার টাকা, পরিবহন খরচ ১ হাজার টাকা, ওষুধপত্র চিকিৎসা বাবদ ৭ হাজার টাকা, বিদ্যুৎ খরচ ২ হাজার টাকা অন্যান্য ১০ হাজার টাকাসহ মোট খরচ হয় ৭৪ হাজার ৯শ টাকা।
৩২ দিনের প্রতিটি মুরগীর ওজন হয় কমপক্ষে ২ কে জি করে। ৫শ মুৃরগীর মোট ওজন হয় ১ হাজার কেজি। পাইকারী মূুল্য ১৩০ টাকা কেজি হিসেবে এ ৫শ মুরগী বিক্রি হয় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। সব খরচ বাদ দিয়ে নীট মুনাফা অর্জিত হয় ৫৫ হাজার টাকা। এ আয় ৩২ দিনে বা এক মাসে। সেই হিসেবে এক বছরে শ্যামলী বেগম মোট আয় করেন প্রায় ৬ লাখ টাকা।
সংসার থেকে অভাব অনটন দূর হয়েছে। কেবলই স্বচ্ছলতা। সুখ আর সুখ। তাদের তিন মেয়ে। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। মেজ মেয়ে নওগাঁ নার্সিং ইনষ্টিটিউটে পড়াশুনা করছে আর সবচেয়ে ছোট মেয়েটি এ বছর জিপিএ-৫ গ্রেডে এসএসসি পাস করে নওগাঁ সরকারী কলেজে ভর্তি হয়েছে। আমার বাড়ি আমার খামার কর্মসূচীর সাথে যুক্ত না হলে অভাবের কারণে মেয়েদের পড়াশুনা করানোর কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারতেন না।
- যেসব নতুন নিয়ম দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপে
- ১৪ বছরের অগাস্টিনার হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা
- পিতা-মাতার সুরক্ষা আইন: বাবা-মায়ের ভরসা নাকি কাগুজে অধিকার?
- কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত
- রামিসা ধ*র্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন
- শুনানিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নার উদ্ভট আচরণ, পরে কান্না
- রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসি দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
- কারামুক্ত হয়ে সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আইভী
- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ১০ বছর পর বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল
- বরিশাল জাদুঘর: অবহেলায় ঝুঁকিতে দুই শতকের ঐতিহ্য
- অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস, দূষণ তালিকায় ১১
- যেসব জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে
- রামিসা হত্যা মামলা: রায়ের দিন নির্ধারণ হতে পারে আজ
- সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার
- ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা
- মায়ের মরদেহে পচন, যুগ্ম-সচিব ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- নারীদের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে নিগার-তৃষ্ণার উন্নতি
- এবার বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
- নিলামে উঠছে পেলের প্রথম বিশ্বকাপ জার্সি
- ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা
- হায় জীবন, মায়ের মরদেহের পাশে পচে যায় মানবিকতা!
- নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শিগগিরই দেশব্যাপী কর্মসূচি
- ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
- রামিসা হত্যা মামলা: আত্মপক্ষ সমর্থন শেষ, যুক্তিতর্ক কাল
- এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল
- সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ
- মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট
- খানজাহান আলী (রহ:) মাজারের দিঘির কুমিরটি সরিয়ে নেয়া হবে
- হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো
- সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার


