সফল হতে হলে লেগে থাকা জরুরী: লিনা
অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ১১:৪৮ এএম, ৫ এপ্রিল ২০২২ মঙ্গলবার
ফাইল ছবি
জীবনের প্রথম চাকরির বেতন ছিল খুবই সামান্য। হাতে কিছুই থাকতো না মাস শেষে। নানা চড়াইউতরাই পার করে যখন ভালো একটি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তখন সন্তানের মা হয়েছেন। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছেন। তবে থেমে থাকেননি। নিজের ব্যবসা দাঁড় করিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন অন্য নারীদের।
বলা হচ্ছে ‘লিনাস থাউজেন্ড থিংস’ এর স্বত্বাধিকারী শাহরুখ লিনা ওয়াফির কথা। তিনি জানালেন, পড়াশোনা শেষ করে ৬৫০০ টাকার একটি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। বাসাবোর বাসা থেকে বনানী ১১ নম্বরের সেই অফিসে যাতায়াত করতে বেতনের সিংহভাগ খরচ হয়ে যেত। মাস শেষে হাতে থাকতো মাত্র ৩০০-৩৫০ টাকা। সেটা দিয়ে নিজের শখ পূরণ করতেও কষ্ট হতো।
কিছুদিন চাকরি করার পর বাবার কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে এমবিএতে ভর্তি হন তিনি। প্রথম চাকরির সাড়ে পাঁচ মাস পর চাকরি হয় ওয়ারিদ টেলিকমে। এরপর সেই চাকরি ছেড়ে যোগ দেন ইউসিবি ব্যাংকে। ২০১৪ সালে বিয়ে হয় লিনার। এক বছর পরেই সন্তানের মা হন। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর এক মাস অফিস করে চাকরিটা ছেড়ে দেন। এরপর পুরোপুরি মা এবং গৃহিণী বনে যান।
লীনার বন্ধুরা ততদিনে চাকরিতে ভালো অবস্থান গড়ে নিয়েছেন। লিনার আফসোস হয়, হতাশায় ভুগতে থাকেন। পাশে দাঁড়ান স্বামী। পোশাকের ব্যবসা শুরু করার জন্য টাকা দেন লীনাকে। এর আগে অফলাইনে পোশাকের ব্যবসা করার অভিজ্ঞতাকে অনলাইনে কাজে লাগান লিনা। ধানমন্ডির অর্চাড পয়েন্টে দোকান নিয়ে পার্টনারশিপে ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা কিছুটা জমে ওঠার পর দোকান নেন পুলিশ প্লাজায়।
পুলিশ প্লাজার ১৪৩ স্কয়ার ফিটের ছোট দোকানটি নেয়ার সময় অনেকেই লিনাকে বলেছিলেন, ‘ব্যবসা চলবে না’। কিন্তু সবাইকে ভুল প্রমাণ করে প্রথম মাসেই তিন জন কর্মচারীর খরচ, দোকান ভাড়া তুলে ফেলেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ধীরে ধীরে ব্যবসা বাড়াতে থাকেন। আরেকটি দোকান নেন পিঙ্ক সিটিতে।
তারপর অর্চাড পয়েন্টে পার্টনারশিপে নেয়া দোকানটি ছেড়ে দেন। লীনার এই যাত্রায় উৎসাহ হয়েছেন অনেক তারকা। সংগীত তারকা কনা, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, অভিনেত্রী দিলারা জামানকে পাশে পেয়েছেন লীনা। দিলারা জামান লিনাকে সবসময়ে বলতেন, ‘আমি চাই মেয়েরা এগিয়ে যাক’।
লিনার মতে, একজন নারীকে সফল ব্যবসায়ী হওয়ার পাশাপাশি একজন সফল মা, স্ত্রী, গৃহিণীও হতে হয়। এগিয়ে যাওয়ার পথে অনেক নেতিবাচক কথা শুনতে হয় মেয়েদের। তবে সেসব শুনে থেমে থাকলে চলবে না। লেগে থাকতে হবে। কর্মীদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে। সততা বজায় রাখতে হবে। তাহলেই উপরে ওঠা সম্ভব।
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- পরোয়ানার ২ ঘণ্টার মধ্যে জামিন সিমিন রহমানের
- ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ নিবন্ধন
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- নতুন বছরে বাজারে এলো ৪ ডিভাইস
- আজ মেঘলা থাকবে রাজধানী ঢাকার আকাশ
- দেশের নারী ভোটার: ৬.২৮ কোটি, মোট ভোটারের অর্ধেক
- নির্বাচনকালীন ৬ দিন স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা
- আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল ইতালি
- ‘বাড়ি এসে তো দেখবে ছেলে-বউয়ের কবর’
- মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার ফরম জমার সময় বাড়ল
- ভোটের মাঠে তাসনিম জারার নতুন প্রচার কৌশল
- গণভোটে ‘হ্যা’র পক্ষে প্রচারণার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
- সারাদেশে প্রচারণার উৎসব
- ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ৫০
- একটি পক্ষ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে: তারেক রহমান
- শাকিবের বাবা হওয়ার গুঞ্জনে যা বললেন অপু বিশ্বাস
- পোস্টাল ভোট কী, কারা দিতে পারবেন এবং যেভাবে আবেদন করবেন
- খৈ খৈ মারমাকে বাড়ি দিচ্ছে জেলা প্রশাসন

