ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৯, জানুয়ারি ২০২৬ ০:১৫:২৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ নিবন্ধন নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ ইরানের পরিস্থিতি খারাপ হলে কঠোর হবে তুরস্ক

‘সাদ্দামের পরিণতি যেন আর কোনো কর্মীর কপালে না ঘটে’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:৩২ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, সাদ্দামের মতো কর্মীদের ঘাড়ে ভর করেই গত ১৫ বছর অনেক নেতা রাজনীতি করেছেন, কিন্তু সেই নেতারাই দুঃসময়ে সাদ্দামের পরিবারের খোঁজ নেননি। সাদ্দামের পরিণতি যেন আর কোনো কর্মীর কপালে না ঘটে।

রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নে এক নির্বাচনি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সাদ্দাম ছাত্রলীগ করত। গত ১৫ বছরে ছাত্রদলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে এমন অসংখ্য কর্মী ছিল। যারা নেতা বানিয়েছে, কিন্তু দিন শেষে নিজেরা কারাগারে গেছে। তাদের স্ত্রী-সন্তান অনাহারে থেকেছে, এমনকি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। যে নেতা কর্মীর পরিবারের খবর রাখেন না, যে নেতাকে তৈরি করতে গিয়ে কর্মীর জায়গা হয় কারাগারে, সেই রাজনীতি আর চলতে পারে না।’

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সাদ্দাম হোসেন ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিল। তার স্ত্রী নবজাতক সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছে। সাদ্দাম তখন কারাগারে। এমন কোনো নেতা ছিল না, যে একদিনের জন্যও তাকে প্যারোলে বের করে আনবেন। স্ত্রী ও সন্তানের লাশ কারাগারে নেওয়ার পর মাত্র পাঁচ মিনিট দেখার সুযোগ পেয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘গত ১৫ বছর বিএনপির বড় বড় কুতুবদের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল, নম্বর ছিল বিদেশি। কর্মীরা সেই নম্বর জানতেন না। তখন তারা আমাকে পেয়েছে। তাই নেতা বাছার সময় সাবধান হোন।’