ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:৩৮:২৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

সিডনিতে স্ত্রী-সন্তান হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৪৬ পিএম, ১৯ মে ২০২৬ মঙ্গলবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় নিহত দুই শিশুর বয়স ১২ ও ৫ বছর।

সোমবার সন্ধ্যায় সিডনির ক্যাম্পবেল্টটাউন এলাকায় নিজ বাসা থেকে জরুরি সেবায় ফোন করেন ৪৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার ৪৬ বছর বয়সী স্ত্রী এবং দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহতদের পরিচয় সুরক্ষার স্বার্থে অভিযুক্তের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তাকে গ্রেপ্তার করে পারিবারিক সহিংসতার মাধ্যমে তিনটি হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার ক্যাম্পবেল্টটাউন আদালতে মামলাটি সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয়। তবে অভিযুক্ত আদালতে হাজির হননি। তার আইনজীবী জানান, পুলিশ হেফাজতে তিনি চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি বাসায় থেকে দুই সন্তানের দেখাশোনা করতেন। দুই শিশুরই বিকাশজনিত সমস্যা ছিল। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন তাদের মা। প্রায় এক দশক আগে পরিবারটি বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমায়।

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলকে অত্যন্ত নৃশংস বলে বর্ণনা করেছেন। বাড়ি থেকে এমন কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে। তবে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধের রেকর্ড ছিল না। পারিবারিক সহিংসতা, মাদকাসক্তি কিংবা মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোনো অভিযোগও আগে পুলিশের নজরে আসেনি। সমাজসেবা বা শিশু সুরক্ষা সংস্থার সঙ্গেও পরিবারটির পূর্ব কোনো যোগাযোগ ছিল না।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবারটিকে শান্ত ও স্বাভাবিক বলেই জানতেন। এক প্রতিবেশী বলেন, শিশুদুটিকে প্রায়ই বাইরে খেলতে দেখা যেত এবং তারা সবসময় হাসিখুশি ছিল।

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মাইনস। তিনি একে ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।