ঢাকা, বুধবার ০৪, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫৫:৩১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
গাজা গণহত্যা: ফ্রান্সে দুই ইসরায়েলি নারীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বায়ু ২০৩০ সালের মধ্যে ৫৪ লাখ শিশুর মৃত্যুঝুঁকি: গবেষণা সতর্কবার্তা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন কারাবন্দিরা চালকদের বদঅভ্যাসেই শব্দদূষণ বাড়ছে: রিজওয়ানা রমজানে কম দামে মাংস, মুরগি, ডিম ও দুধ বিক্রি করবে সরকার

আগামী সপ্তাহ থেকে লাল চিহ্নিত সড়কে হকার বসতে দেয়া হবে না: তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:০৮ পিএম, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আগামী সপ্তাহ থেকে লাল চিহ্নিত অতি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আর হকার বসতে না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ বুধবার ১০ তলা বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বিপনী বিতানের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আজ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ হকার্স মার্কেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আমরা একটি নতুন পদক্ষেপে যাচ্ছি। নতুন কার্যক্রমে যাচ্ছি। যেমনি আমরা ১০ তলা মার্কেটে তাদের পুনর্বাসন করব, তার সাথে সাথে আগামী সপ্তাহ থেকে  নির্দিষ্ট রাস্তায় নির্দিষ্ট সড়ক চিহ্নিত করব। কেবল অতি গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো লাল চিহ্নিত করা হবে। হলুদ ও সবুজ চিহ্নিতও করা হবে। লাল চিহ্নিত এলাকায় সড়কে হাঁটার পথে আর হকার বসতে দেবো না। আগামী সপ্তাহ থেকে লাল চিহ্নিত অতি গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো থেকে হকার সরানোর অভিযান শুরু করব।’
বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আধুনিক দশতলা বিপণি বিতান নির্মাণ কাজ হকারদের প্রতীক্ষা পূরণের আশাবাদ জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘এটি দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত ছিল। এই এলাকার হকার ভাই-বোনদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি মার্কেট। দীর্ঘসূত্রিতার কারণে দীর্ঘদিন এটা করা হয়নি। আজ আমি অত্যন্ত আনন্দিত, এটার কাজ শুরু করতে পেরেছি। আশা করব আগামী দুই বছরের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। হকার ভাই-বোনদের জন্য এটি একটি বড় মার্কেট হবে। তারা তাদের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবে।’
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, ২০১৯ সালে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব যেরকম মহামারীর আকার ধারণ করেছিল এবার সেই পর্যায়ে যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করেছিল। এজন্য প্রথম থেকেই আগাম প্রস্তুতি নিয়েছি। যে জরিপগুলোর ফলাফল এসেছিল সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হযেছে এবং বিগত দুই মাসব্যাপী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ পরিচালনা করে (এডিস মশার) উৎসগুলোর ধ্বংসের মাধ্যমে প্রত্যেকদিন দিনব্যাপী ব্যাপক কার্যক্রম নিয়েছি। যার ফলশ্রুতিতে ঢাকাবাসীকে এডিস মশার বিস্তার থেকে মুক্তি দিতে পেরেছি।’
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মেরীনা নাজনীন, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর রোকসানা ইসলাম চামেলী উপস্থিত ছিলেন।