ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৭:২৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ক্রিকেট: বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পর স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ আবারও ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন সাবিনারা জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অ্যামনেস্টির চিঠি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ আজ সারাদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

আজ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ পাবে টিসিবি কার্ডধারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১২ এএম, ৯ অক্টোবর ২০২৩ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

দেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা মহানগরীতে টিসিবির কার্ডধারীদের মধ্যে ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত সরকার।

সোমবার (৯ অক্টোবর) থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে বলে রোববার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


এতে বলা হয়, বিগত কয়েক বছরের আলোকে ও পেঁয়াজের খারাপ মৌসুমের বিবেচনায় সোমবার থেকে পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগরীর কার্ডধারী ভোক্তাদের কাছে পেঁয়াজ বিক্রয় করা হবে। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।দেশে স্বল্প আয়ের এক কোটি পরিবার টিসিবির কার্ডধারী। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে যেসব কার্ডধারী রয়েছেন, তাদেরকে মূলত ভর্তুকি মূল্যে প্রতি মাসে দুই কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হবে।

টিসিবির তথ্য কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, পেঁয়াজ বিক্রয় কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগরীর বাইরে দেশের অন্যান্য জায়গায় সম্প্রসারণ করা হবে। তবে সেটি মূলত আমদানিকৃত পেঁয়াজের পর্যাপ্ততা সাপেক্ষে করা হবে।

টিসিবির কার্ডধারী পরিবারের মধ্যে সাধারণত চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল বিক্রি করা হয়। কোনো কোনো মাসে চালও বিক্রি করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় খোলাবাজারের তুলনায় কম দামে কার্ডধারীরা নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কিনতে পারেন।

উল্লেখ্য, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে ২০২২ সালের ২০ মার্চ স্বল্প আয়ের মানুষদের মধ্যে কম দামে পণ্য বিক্রি করতে টিসিবি কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়। ২০২০ সালে করোনাকালীন প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পাওয়া ৩৮ লাখ ৫০ হাজার সুবিধাভোগীর সবাইকেই এই কার্ড প্রদান করা হয়। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয় ৬১ লাখ ৫০ হাজার পরিবার। সব মিলিয়ে এখন এক কোটি পরিবার ফ্যামিলি এই কার্ডের আওতায়।