ঢাকা, শনিবার ১৩, জুলাই ২০২৪ ৮:৪৫:০৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কোটা আন্দোলনকারীদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ আজ সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি লাখো মানুষ নেপালের সড়কে ভূমিধস, দুই বাস নদীতে পড়ে নিখোঁজ ৬৩ চট্টগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নারী-শিশুর মৃত্যু ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা শুরু ভোর থেকে রাজধানীতে ঝুম বৃষ্টি, বিপাকে পরীক্ষার্থীরা

এক্সপ্রেসওয়েতে তৃতীয় দিনে ২৫ লাখ টাকা টোল আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:১১ এএম, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ বুধবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার তৃতীয় দিনে উড়ালসড়কে (এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) ২৫ লাখ টাকার বেশি টোল আদায় হয়েছে।

বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে উড়ালসড়ক উদ্বোধনের পর রোববার থেকে কাওলা থেকে তেজগাঁও অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। যান চলাচলের তৃতীয় দিনে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ লাখ ৬ হাজার ৮০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

এ সময়ে ৩০ হাজার ৯১৯টি যানবাহন চলাচল করেছে। এসব গাড়ির মধ্যে বিমানবন্দর থেকে বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট পথে ১৫ হাজার ৬৯০টি, কুড়িল থেকে বনানী, মহাখালী ও ফার্মগেট পথে ৩ হাজার ৬১৯টি, বনানী থেকে কুড়িল-বিমানবন্দর পথে ২ হাজার ৮৯৮টি এবং তেজগাঁও থেকে মহাখালী, বনানী, কুড়িল ও বিমানবন্দরের পথে ৮ হাজার ৭১২টি গাড়ি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল করেছে।

এর আগে, যান চলাচল শুরুর প্রথম দিন রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উড়ালসড়ক থেকে আয় হয় ১১ লাখ ৮ হাজার ২৪০ টাকা। দ্বিতীয় দিনে টোল আদায় হয় প্রায় ২২ লাখ টাকা।

একনজরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি নামের প্রকল্পটি ২০১১ সালে হাতে নেওয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের ১ ডিসেম্বর। পুরোপুরি কাজ শেষ না হলেও আপাতত বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট অংশ খুলে দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের নির্মাণ ২০২৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে রেললাইন ধরে তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কাছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালীতে গিয়ে শেষ হবে। উড়ালসড়কে ওঠানামার জন্য মোট ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩১টি র‌্যাম্প রয়েছে। র‌্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ‘ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। এরমধ্যে দুই হাজার ৪১৩ কোটি টাকা বা ২৭ শতাংশ বহন করবে বাংলাদেশ সরকার। বাকি অর্থের যোগান দেবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ২৫ বছরের চুক্তির মধ্যে সাড়ে ২১ বছর টোল আদায় করবে বিনিয়োগাকরী প্রতিষ্ঠান।

এদিকে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যাতায়াত করতে বেশ কিছু নির্দেশনা মানতে হবে। সেতু বিভাগ এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঢাকা উড়ালসড়কে দুই ও তিন চাকার যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। তাই মোটরসাইকেল বা অটোরিকশা নিয়ে উড়ালসড়কে ওঠা যাবে না। গাড়ি নিয়ে গিয়ে উড়ালসড়কে দাঁড়ানো ও যানবাহন থেকে নেমে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উড়ালসড়কে উঠতে ও চলাচল করতে পারবেন না পথচারীরা।

এ ছাড়া এক্সপ্রেসওয়েতে চলতে হলে গাড়িভেদে নির্দিষ্ট অংকের টোল পরিশোধ করতে হবে। কার, ট্যাক্সি, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল, মাইক্রোবাস (১৬ সিটের কম) এবং হালকা ট্রাকের (৩ টনের কম) জন্য টোল দিতে হবে ৮০ টাকা। মাঝারি ট্রাক (৬ চাকা পর্যন্ত) ৩২০ টাকা, ৬ চাকার বেশির ট্রাক ৪০০ টাকা এবং সব ধরনের বাসের (১৬ সিট বা তার বেশি) জন্য ১৬০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।