ঢাকা, সোমবার ০৮, জুন ২০২৬ ১৮:০৭:০৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হামে একদিনে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানী পুশইন ঠেকাতে ভারতকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশে একসঙ্গে ভূমিকম্প অনুভূত সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ফের পতন

এপ্রিলের ৭ দিনেই রেমিট্যান্স ৪ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০০ এএম, ১১ এপ্রিল ২০২২ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো বেড়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের ৭ দিনেই ৫৩ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা ২০ পয়সা) টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা।

৩ এপ্রিল থেকে রোজা শুরু হয়েছে। সে হিসাবে ২ অথবা ৩ মে ঈদ উদযাপিত হতে পারে। এই ৭ দিনে দেশে যে রেমিট্যান্স এসেছে সে হারে আসলে এপ্রিল মাস শেষে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার বা ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে ২ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছবে। ১ বছর আগে গত বছরের মে মাসে করোনাকালীন সময়েও ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি (২.১৭ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

সবশেষ গত মার্চ মাসে ১৮৬ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা ছিল গত ৮ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ। দেশের জিডিপিতে সব মিলিয়ে রেমিট্যান্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো।

রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দিয়ে আসছিল সরকার। গত জানুয়ারি থেকে তা বাড়িয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অর্থাৎ কোনো প্রবাসী এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে যার নামে পাঠাচ্ছেন তিনি ১০২ টাকা ৫০ পয়সা তুলতে পারছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার রেমিট্যান্সের সাপ্তাহিক যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে সাত দিনে (১ থেকে ৭ এপ্রিল) রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ৯ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ডলারের কিছু বেশি। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪১ কোটি ৯৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর পাঁচটি বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার।