ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭, আগস্ট ২০২৬ ১৬:৫৭:৪৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
১২৯ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল চা-বাগানের কুঁড়েঘর থেকে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তা যাদব ভূমিকম্প নয়, হিমবাহ ধসে নেপালের ভয়াবহ বন্যা: ইউএসজিএস নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ভারী বৃষ্টির কবলে সৌদির মক্কা, ‘রেড এল্যার্ট’ জারি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভূমিধস ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ১৬০ নেপালে আকস্মিক বন্যা: নিহত শতাধিক, নিখোঁজ কয়েক শ পর্যটক

কর্মজীবী নারীরা মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৪ পিএম, ২৭ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

অফিসের কাজ শেষ হলেও নারীর কাজ যেন শেষ হয় না। কর্মস্থলের দায়িত্ব সামলে ঘরে ফিরেও রান্না, ঘর গোছানো, পরিবারের সদস্যদের দেখাশোনা, সন্তানের পড়াশোনা কিংবা পরদিনের প্রস্তুতি-সবকিছুর ভার অনেক নারীকেই একাই সামলাতে হয়। ফলে দিনের শেষে নিজের জন্য একটু সময় বের করাটাই হয়ে ওঠে কঠিন।

পরিবারের প্রত্যাশা, কাজের চাপ এবং ক্রমাগত বার্নআউটের ঝুঁকিতে থাকা নারীদের মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং আত্মরক্ষার জন্য একটি অপরিহার্য প্রয়োজন।

পারিবারিক দায়িত্ব ও কাজের সুষম বণ্টন
সব কাজ একা সামলানোর 'সুপারওম্যান' সিন্ড্রোম থেকে বের হতে হবে। সন্তান লালন-পালন,রান্নাবান্না বা ঘরের নিত্যদিনের কাজে পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও সঙ্গীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন। গৃহস্থালি কাজকে একক দায়িত্ব না ভেবে পরিবারের সবার সাথে কাজ ভাগ করে নিলে দৈনন্দিন কাজ সহজ হয়ে যাবে।

কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনের সুনির্দিষ্ট সীমানা
অফিসের সময় শেষ হলে কাজ সংক্রান্ত যোগাযোগ সীমিত করার চর্চা করা দরকার কারণ কর্মক্ষেত্র এবং ঘরের মেজাজকে আলাদা রাখা অত্যন্ত জরুরি, যাতে কর্মঘণ্টা শেষে মানসিকভাবে রিচার্জ হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায় এবং মানসিক শান্তি বজায় থাকে।

প্রতিদিন নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুন
সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট কেবল নিজের পছন্দের জন্য বরাদ্দ রাখুন। বই পড়া, একটু হাঁটা, গান শোনা কিংবা নীরবতায় চা পানের মতো ছোট ছোট অভ্যাস মনের ওপর জমতে থাকা ক্লান্তি অনেকটাই হালকা করে দেয়।

সহযোগিতামূলক সামাজিক নেটওয়ার্ক
সবসময় সমমনা কর্মজীবী নারীদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ও মানসিক টানাপোড়েন শেয়ার করার মতো সুসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করুন কারণ সমস্যাকেন্দ্রিক বা মানসিক চাপের কথা কাছের কোনো সহকর্মী বা বন্ধুর কাছে প্রকাশ করলে একাকীত্বের অনুভূতি দূর হয় এবং দিনশেষে ক্লান্ত কম লাগে।