ঢাকা, বুধবার ২৫, মার্চ ২০২৬ ৭:০৫:৪৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জাবি ছাত্রী শারমীন হত্যা: স্বামী ফাহিম ২ দিনের রিমান্ডে বিশ্ববাজারে আজও কমলো স্বর্ণের দাম একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতিতে কাজ করবে সরকার: শামা ওবায়েদ বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা ঋণের নির্দেশ নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

কারাগারেই বিয়ের অনুমতি পেলেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০৬ পিএম, ১৫ মার্চ ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

যুক্তরাজ্যের বেলমার্শ কারাগারে আগামী ২৩ মার্চ বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। এই বন্দিকে কারাগারেই বিয়ের অনুমতি দিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

গত নভেম্বরে কারাগারের গভর্নরের কাছে আবেদন জানানোর পর তাকে দীর্ঘদিনের সঙ্গী স্টেলা মরিসকে বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া হয়। খবর দ্য গার্ডিয়ানের। ওই কারাগারের একজন সার্ভিস মুখপাত্র জানান, অন্য সব কয়েদির মতোই অ্যাসাঞ্জের আবেদন গ্রহণের পর তা বিবেচনা করে এই অনুমতি দেওয়া হয়।

অ্যাসাঞ্জ যখন লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন, তখনই স্টেলা মরিসের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। পেশায় আইনজীবী স্টেলা সেখানে আইনি কাজে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক প্রণয়ে রূপ নেয়। এই যুগলের চার ও দুই বছর বয়সি দুটি সন্তানও রয়েছে। তাদের দুই সন্তানই ব্রিটেনের নাগরিক।

বিয়ে নিয়ে স্টেলা বলেন, জুলিয়ান বিয়ের জন্য মুখিয়ে আছে। কারণ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানোর অনেক দিন পর অবশেষে আমাদের পরিণয় হচ্ছে। সে বিদেশি একটি শক্তির (যুক্তরাষ্ট্র) ইশারায় এখন বন্দি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও গঠন করা হয়নি। এটা সম্পূর্ণরূপে একজনের জন্য অসম্মানজনক। আশা করি আমাদের বিয়েতে আর কোনো হস্তক্ষেপ করা হবে না।

যুক্তরাজ্যে ১৯৮৩ সালের বিবাহ আইনে কয়েদিদের কারাগারে বিয়ের অনুমতি চাওয়ার বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিয়ের আবেদন গভর্নর অনুমোদন দিলে ওই কয়েদির কাছ থেকেই বিয়ের খরচ নেওয়া হবে।

মার্কিন গোপন নথি ফাঁস করে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত গুপ্তচরবৃত্তির আইনে করা মামলার আসামি। ২০১২ সাল থেকে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসের আশ্রয়ে ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে জামিনের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে যুক্তরাজ্য পুলিশ। তখন থেকে তিনি বেলমার্শ কারাগারে বন্দি।