ঢাকা, সোমবার ২৩, মার্চ ২০২৬ ১৬:৫৫:২৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব পেট্রোল পাম্প সাত দিন ছুটির পরে কাল খুলছে অফিস-আদালত ইরানসহ চার দেশের সঙ্গে ইইউর কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:১৬ পিএম, ২৩ মার্চ ২০২৬ সোমবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

ঈদুল ফিতরের ছুটি ঘিরে দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত-এ নেমেছে পর্যটকের ঢল। ছুটির শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করছেন বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকতটিতে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট—লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলীতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো কক্সবাজার শহর। হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউসগুলোতে প্রায় শতভাগ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সৈকতে ঘুরতে আসা ঢাকার বাসিন্দা সাদিয়া রহমান বলেন, “প্রতিবার ঈদের ছুটিতে কোথাও না কোথাও যাই। এবার কক্সবাজারে এসেছি। ভিড় অনেক বেশি, তবুও সমুদ্রের সৌন্দর্য সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।”

রাজশাহী থেকে পরিবার নিয়ে আসা ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, “বাচ্চাদের নিয়ে সমুদ্র দেখতে আসলাম। এত মানুষের ভিড় আগে দেখিনি। তারপরও পরিবেশটা উৎসবমুখর লাগছে।”

চট্টগ্রাম থেকে আসা শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন জানান, “বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে এসেছি। বিকেলের সূর্যাস্তটা অসাধারণ। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা দরকার।”

হোটেল মালিক সমিতির এক সদস্য জানান, “ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন আগেই সব রুম বুকড হয়ে গেছে। অনেক পর্যটক রুম না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন বা বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজছেন।”

পর্যটন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, “ঈদকে ঘিরে পর্যটকের চাপ প্রতি বছরই বাড়ছে। আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।”

এদিকে সৈকত এলাকায় ব্যবসায়ীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। খাবারের দোকান, ফটোগ্রাফার, বিচ বাইক ও ঘোড়ার গাড়ির চালকদের মধ্যে দেখা গেছে বাড়তি কর্মচাঞ্চল্য। পর্যটকের ভিড়ে তাদের আয়ও বেড়েছে কয়েকগুণ।

সব মিলিয়ে ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত যেন পরিণত হয়েছে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। সমুদ্রের ঢেউ আর মানুষের উচ্ছ্বাসে মুখর এই সৈকত ফিরিয়ে দিচ্ছে উৎসবের আমেজ, যা ভ্রমণপিপাসুদের মনে রেখে যাচ্ছে অনন্য স্মৃতি।