ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯, মার্চ ২০২৬ ১৬:৫৮:৫৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
তিন সপ্তাহে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে মৃত্যু ২৫ হাজারের বেশি ঈদযাত্রায় বাস-ট্রেন-লঞ্চে ঘরেফেরা মানুষের ঢল ঈদের আগে স্বস্তি: পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান–আফগানিস্তান আজও মধ্যপ্রাচ্যের ৭ দেশে ২৬ ফ্লাইট বাতিল খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৪ জনকে গুলি বগুড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত: ২১ ঘণ্টা পর রেল চলাচল স্বাভাবিক কোন দেশে কবে ঈদ

কুড়িগ্রামে বাড়ছে সব নদ-নদীর পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৯ এএম, ১৬ জুন ২০২৪ রবিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রামের ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহ সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার (১৫ জুন) বিকেল ৩টায় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে ৮৫ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব নদ-নদীর তীরবর্তী নিচু অঞ্চলের বাদাম ও সবজি খেত তলিয়ে গেছে। ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী সপ্তাহে জেলায় একটি স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১০২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন জেলায় বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতের উজানে ও দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে জেলার নিম্নাঞ্চলের চরগুলো তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, কুড়িগ্রামে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে চরের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রাথমিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।