ঢাকা, বুধবার ১৮, মার্চ ২০২৬ ৯:১১:০৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
লম্বা ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছে মানুষ বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, রণক্ষেত্র গ্রিন জোন শেষ সময়ের ঈদ বাজার: গৃহস্থালি পণ্য কিনতে ব্যস্ত ক্রেতারা ট্রাকচাপায় শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন নিহত কমলাপুরে ব্যাপক ভিড়, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ট্রেন ছাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য সংকট: শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল ২৬ ফ্লাইট কিশোরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ নিহত ৬ জাতির পিতার জন্মদিন আজ উইমেননিউজের প্রধান উপদেষ্টা রিজিয়া মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

তিন বছর ছেলের ফ্রিজে মায়ের লাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১২:৪৯ এএম, ১৮ এপ্রিল ২০১৮ বুধবার

কলকাতায় প্রায় তিন বছর ধরে ফ্রিজে মৃত মায়ের দেহ সংরক্ষণ করেছে এক ছেলে৷ দেহে যাতে পচন না ধরে তার জন্য ব্যবহার করা হতো রাসায়নিক দ্রব্য৷

 

শহরের বেহালায় জেমস লং সরণীতে এ ঘটনা ঘটে৷ ২৫ নম্বর জেমস লং সরণীতে মৃত মাকে সংরক্ষণ করে রেখেছিল লেদার টেকনোলজির ছাত্র শুভব্রত মজুমদার৷ বাড়িতে ছেলের সঙ্গে থাকেন বাবা গোপাল মজুমদারও৷ বৃদ্ধ বাবাকে বলা হয়েছিল মা বেঁচে উঠবেন৷ তাই দেহ রাখা হয়েছে৷

 

পুলিশের অনুমান প্রায় ৩ বছর ধরে শুভব্রতের টার্গেট ছিল মায়ের পেনশন৷ মৃত মায়ের টিপসই দিয়ে পেনশন তুলতেন শুভব্রত৷ জীবিতকালে ৫০ হাজার টাকা পেনশন পেতেন মা৷ পেনশন ফর্ম দিয়ে টাকা তোলা হত৷ জমা দেওয়া হত লাইফ সার্টিফিকেটও৷ তবে এই তিন বছরে ব্যাঙ্কের তরফ থেকে পরিদর্শনে কেন কোনও লোক আসেননি, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন৷



তদন্তে জানা গিয়েছে ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল শুভব্রতর মায়ের মৃত্যু হয়৷ জেরায় শুভব্রত জানিয়েছে মায়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই দেহ সংরক্ষণ করেছে সে৷ তবে বিষয়টি মিথ্যা বলে মনে করছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাদের অনুমান মায়ের পেনশনের টাকা পেতেই এ কীর্তি করেছে সে৷

 

ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন হোমিসাইড শাখার গোয়েন্দারা৷ উদ্ধার হয়েছে দেহ সংরক্ষণের রাসায়নিক৷ দেহের ময়াতদন্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷ শুভব্রত লেদার টেকনোলজি নিয়ে পড়াশুনা করছে৷ ফলে দেহ সংরক্ষণের কৌশল জানে শুভব্রত৷

 

দেহে যাতে পচন না ধরে তার জন্য বের করে নেওয়া হয় ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র, যকৃৎ, পাকস্থলী৷ এরপর ফ্রিজারে দেহটিকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷ এভাবেই চলছিল প্রায় দুবছর ধরে৷ কোনও গন্ধ না পাওয়ায় প্রতিবেশীদেরও সন্দেহ হয়নি বলে মনে করছে পুলিশ৷

 

সূত্র : ভারতিয় পত্রিকা অবলম্বনে