ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ৪:৪৯:১৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ

গ্রামের মানুষকে নগরের সুবিধা দেওয়া হবে: শেখ হাসিনা

আপডেট: ১০:১৩ এএম, ১৭ জুলাই ২০১৪ বৃহস্পতিবার

9e812f367a904c1dec42d0da1264e123-PM-LGRDস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য মাস্টারপ্ল্যান করতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রত্যেক উপজেলা নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান করতে হবে। উপজেলা পর্যন্ত নগরায়ণ হবে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী। যেখানে গ্রামীণ পরিবেশ, চাষের জমি, আলাদা শিল্প এলাকা, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল সবকিছু থাকবে পরিকল্পিতভাবে।’ প্রধানমন্ত্রী  জানান গ্রামের মানুষকে নগরের সুবিধা দিতে তাঁর সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে গিয়ে এ নির্দেশ দেন। বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নচিত্র তুলে ধরেন । অপরিকল্পিত নগরায়ণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, সব জায়গায় দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে। আর এটি হচ্ছে অপরিকল্পিতভাবে। যত্রতত্র নগরায়ণের ফলে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সবাই ঢাকা থাকতে চায়। যারা গ্রামে থাকে তারা কেন নগরের সুবিধা পাবে না? আমরা চাই তারাও নগরের সুবিধা পাবে। তারাও ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকবে। আবার গ্রামীণ পরিবেশের মতো তাদের গুরু পালার ব্যবস্থাও থাকবে।’ স্থানীয় সরকারকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, স্থানীয় সরকারের প্রতিটি বিভাগকে শক্তিশালী করা গেলে মানুষকে আরও বেশি সেবা দেওয়া যাবে। জনগণের উন্নয়ন ও জাতীয় উন্নয়নে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান কেন্দ্রীভূত ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে বলে জানান সরকারপ্রধান। স্থানীয় পর্যায়ে আয় বাড়াতে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব কেন্দ্র থেকে করে দেবে এটা নয়। আপনারাও স্থানীয় পর্যায়ে আয় বাড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে উন্নয়নের কাজ করুন।’ সেতু, কালভার্ট নির্মাণের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারের প্রকৌশলীদের সতর্ক হতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেতুগুলো এত নিচু করে তৈরি করা হয়েছে যে এর নিচ দিয়ে নৌকা চলাচল করতে পারে না। তা ছাড়া অতিরিক্ত সেতুর ফলে পলি জমে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পণ্য পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। নিচু ব্রিজের কারণে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর ড্রেজিং ব্যাহত হচ্ছে। একই কারণে নৌবিহারসহ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না বলে জানান শেখ হাসিনা। নদীপথের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নদীমাতৃক বাংলাদেশ। অথচ আমরা নদীপথ ব্যবহার ভুলে যাচ্ছি। নদীপথ সস্তা। এর ব্যবহার বাড়লে সড়কপথের ওপর চাপ কমবে।’ অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবদুস সোবহান শিকদার, প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী প্রমুখ। ১৭.০৭.২০১৪