ঢাকা, সোমবার ৩০, মার্চ ২০২০ ২০:০৯:৩৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
করোনাভাইরাসে পশ্চিমবঙ্গে এক নারীর মৃত্যু দেশে আরও একজন করোনায় আক্রান্ত, মোট সুস্থ ১৯ করোনায় নিউইয়র্কে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশির মৃত্যু ফিলিপাইনে মেডিকেল মিশনের বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮ করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩৪ হাজার, আক্রান্ত ৭ লাখ স্পেনে একদিনে প্রাণ হারালো ৮২১ জন

চাঁদপুরের চরাঞ্চলে চোখ জুড়ানো মটরশুঁটির চাষ

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৪:০৮ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সোমবার

চাঁদপুরের চরাঞ্চলে চোখ জুড়ানো মটরশুঁটির চাষ

চাঁদপুরের চরাঞ্চলে চোখ জুড়ানো মটরশুঁটির চাষ

চাঁদপুর জেলার চরাঞ্চলে চোখ জুড়ানো মটরশুঁটির চাষ করেছে চরের কৃষকরা। মটরশুঁটি একটি জনপ্রিয় শিম প্রজাতির শীতকালীন সবজি। মটরশুঁটি বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। যেমন কাঁচা খাওয়া যায়, শুকিয়ে বীজ ডাল হিসেবে খাওয়া যায়, ভেজে খাওয়া যায়, মটর শুটি শাক হিসেবে ও খাওয়া যায়। এটি একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি। মটরশুঁটি উদ্ভিজ্জ আমিষের একটি উৎকৃষ্ট উৎস।

আজকাল পারিবারিক অনুষ্ঠানের বিশেষ রান্নার আয়োজনে ও পরিপক্ক মটরশুটি ডাল হিসেবে এদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়। আমাদের দেশে উৎপাদিত মটরশুঁটির একটি বড় অংশ ডাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে ব্যাপকহারে মটরশুঁটি চাষ করা হলেও চাঁদপুরে খুবই কম দেখা যায়, তবে চর এলাকায় তা চাষ করে কৃষকরা । শহর অঞ্চলে মটরশুঁটির খুবই কদর রয়েছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেস্বর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড়ের কৃষকরা তাদের নিজস্ব জমিতে মটরশুঁটির আবাদ করেছেন। মটরশুঁটির আবাদের জমিগুলো দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। যেদিকে তাকাই সেদিকে মটরশুঁটির ফুল আর ফুল। খুব শীগ্রই ফল দেখাদিবে এ গাছগুলোতে।

কথা হয় স্থানীয় কৃষক হালেম মাঝি সাথে তিনি জানান, এক সময় চরাঞ্চলের জমিতে বহু কৃষক মটরশুঁটির আবাদ করতেন। এখন আমরা অল্প পরিসরে করেছি, এ ফসল উৎপাদনে খরচ কম পড়ে। কিন্তু এখন আর আগের মত সবাই চাষ করে না। তবে কৃষি বিভাগ থেকে চরাঞ্চলের কৃষকদেরকে আবারও মটরশুঁটি আবাদ করার জন্য প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা ও উৎসাহ দিলে হারিয়ে যাওয়া এ ফসলের আবাদে সবাই আগ্রহী হবে। এক কানি জমিতে আমি মটরশুঁটি লাজিয়েছি, এখন পর্যন্ত দুই হাজার টাকার শাক বিক্রি করেছি, বাকিটার ফলন ডাল হিসাবে তুলবো।
লিটন মিয়া ও কাদের গাজী জানান, এ ফসলটি ডাল, সবজি, শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহারকরা যায়। উৎপাদন খরচ খুব কম, বীজ ফেলার পর সামান্য সার ও নীড়ানি দিলেই হয়। কানি প্রতি ২৫/৩০ মণ ডাল পাওয়া যায় বলে তারা জানান। তারা এ বছর আড়াই কানিতে মটরশুটি চাষ করেছেন বলে জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুর রশিদ জানান : খরচ কম হওয়ার কারণে অনেক কৃষক মটরশুটি চাষে ঝুঁকছে, আমরা নিয়মিত কৃষকদের সাথে যোগাযোগ করে পরামর্শ দিয়ে থাকি। তবে চরের কৃষকরা পরামর্শ নিয়ে চাষাবাদ করতে চায় না, তারা যখন যেটা ভালো মনে করে তখন সেই ফসল উৎপাদন করে। আগামিতে আমরা তাদের আরো বেশি উৎপাদনের ক্ষেত্রে সকল ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।