ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ১৩:২১:২৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
প্রাথমিক বৃত্তির ফল ফাঁস, তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি কঙ্গোয় ইবোলার ভয়াবহ বিস্তার, প্রাণহানী ৬০০ ঢাকায় অবিরাম বৃষ্টি, ১৪ অঞ্চলে ভারি বর্ষণ অব্যাহত টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স টানা বৃষ্টিতে বাজারে অস্থিরতা, সবজির দাম আরও চড়া

ট্রাম্পরা নিউজিল্যান্ডের গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না: রিডলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:১০ পিএম, ১৬ মার্চ ২০১৯ শনিবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো শ্বেতাঙ্গ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলো নিউজিল্যান্ডের দু’টি মসজিদে চালানো সন্ত্রাসী হামলার দায় এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক ইভোন রিডলি।

শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চের দু’টি মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ৪৯ মুসল্লি নিহত হওয়ার পর এক নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, পশ্চিমা রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমগুলোকে এখনই ইসলাম-বিদ্বেষী প্রচারণায় বিরতি দিয়ে ক্রাইস্টচার্চের গণহত্যায় তাদের কি ভূমিকা আছে তা নিয়ে আত্মসমালোচনায় বসতে হবে।

শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে হামলা চালান ২৮ বছর বয়সি শ্বেতাঙ্গ নাগরিক ব্রেনটন ট্যার‌্যান্ট। নিজের মাথায় ক্যামেরা লাগিয়ে ১৭ মিনিট ধরে চালানো গণহত্যার ভিডিও তিনি ইন্টারনেটে লাইভ শেয়ার করেন। অনেকটা ভিডিও গেম খেলার মতো করে তিনি মুসল্লিদের ওপর পাশবিক গণহত্যা চালান।

এর আগে টুইটারে একটি ‘ইশতেহার’ প্রকাশ করে তিনি নিজের অভিবাসী-বিরোধী ও ইসলাম-বিদ্বেষী চিন্তাধারার কথা তুলে ধরেন।  নিজেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন সমর্থক হিসেবে তুলে ধরে হামলাকারী বলেন, পুনরুজ্জীবিত শ্বেতাঙ্গ পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে আমি অবশ্যই ট্রাম্পের একজন সমর্থক।

ইশতেহারে তিনি আরও বলেন, আমি মুসলিমদের অপছন্দ করি। আমি সেসব মুসলিমকে ঘৃণা করি, যারা অন্য ধর্ম থেকে এসে মুসলিম হয়।

এ সম্পর্কে ব্রিটিশ সাংবাদিক ইভোন রিডলি আরো লিখেছেন, নিউজিল্যান্ডে যা ঘটেছে সেজন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে ইসলাম বিদ্বেষী যে প্রচারণা শুরু করেছেন তাকে অবশ্যই দায়ী করতে হবে। সেইসঙ্গে অন্যান্য যেসব শ্বেতাঙ্গ রাজনীতিবিদ পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়িয়ে দেয়াকে পাশ্চাত্যে একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত করেছেন। কাজেই তিনি এই মুহূর্ত থেকে এই ঘৃণ্য প্রক্রিয়ার ইতি টানার আহ্বান জানান। সূত্র : পার্সটুডে

-জেডসি