ঢাকা, সোমবার ২২, জুন ২০২৬ ৯:৫৩:৫৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নারী উদ্যোক্তা সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ৬৮ বছরে দ্রুততম ১০০ গোলের রেকর্ড ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা আজ বাবা দিবস: ভালোবাসায় বাবাকে স্মরণের দিন ‘২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে’ বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে তিউনিসিয়াকে উড়িয়ে দিল জাপান লিবিয়া উপকূলে নারীসহ ১৫ অভিবাসীর লাশ উদ্ধার

নাটোরে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হলেন তিন বোন

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০২ এএম, ৮ জানুয়ারি ২০২২ শনিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় একসঙ্গে তিন বোন সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা যায়, সাবেক মহিলা সদস্য আলেয়া বেগমের পথ অনুসরণ করে এবার পঞ্চম ধাপের নির্বাচনে একসঙ্গে তার তিন মেয়ে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন।

নবনির্বাচিত তিন বোনের মধ্যে হালিমা বেগম (৪৩) নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলার বিপ্র বেলঘড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে। মেজ বোন নাসিমা বেগম (৪১) একই ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। আর ছোট বোন শাহনাজ পারভীন (৩৯) নির্বাচিত হয়েছেন একই উপজেলার ছাতনী ইউনিয়ন পরিষদের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে।

নির্বাচিত তিন বোন জানান, কিছু নেওয়ার জন্য কোনো ভোটারকে বা নাগরিককে তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না। তারাই যাবেন নাগরিকের ঘরে ঘরে। পৌঁছে দেবেন সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা।

বড় বোন হালিমা বেগম বলেন, আমার বাবা মৃত আব্দুস সাত্তার একবার ইউপি সদস্য নির্বাচনে দাঁড়িয়ে মাত্র দুই ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। এখনো সেই কষ্ট ভুলিনি। আমার মা আলেয়া বেগম বারবার সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে মহিলা সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মানুষের সেবা করে তারা দোয়া ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। মানুষের মুখে মুখে তাদের ভালো ব্যবহার ও বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর গল্প ছড়িয়ে পড়ে। মায়ের মানবসেবা দেখেই আমরা তিন বোন মানুষের সেবা করার সিদ্ধান্ত নিই।

নাসিমা বেগম বলেন, এলাকার মানুষ আমাদের মন উজাড় করে ভোট দিয়েছেন। ব্যাপক ব্যবধানে নির্বাচিত করেছেন। এখন আমাদের কাজ প্রতিদিন এলাকার ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের সমস্যা শুনে তাদের পাশে দাঁড়ানো। সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা তাদের পৌঁছে দেব। আমাদের তিন বোনের কৃষক স্বামীরা এই বিজয়ে রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা। আমাদের এমন বিজয়ে দারুণ খুশি আমাদের মা (আলেয়া বেগম)।