ঢাকা, রবিবার ১৪, জুন ২০২৬ ১১:১৫:৩৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৮তলা থেকে পড়ে অভিনেত্রীর মৃত্যু, স্বামী রিমান্ডে ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে কাল চ্যাটজিপিটির প্রভাবে তরুণীর মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানী বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান প্যারাগুয়েকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র হার এড়িয়ে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম পয়েন্ট

নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আফগান নারীদের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১৯ পিএম, ৮ জুলাই ২০২৩ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আফগানিস্তানে তালেবান নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই নতুন আঙ্গিকে রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করেছে দেশটির নারীরা। এতে নারীদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি কমছে তালেবানভীতি। আর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নারীরা ফিরে পাচ্ছেন আত্মবিশ্বাস।

শ্বাস চললেও যেন বেঁচে নেই আফগান নারীরা। গত ২ বছরের তালেবান শাসনআমলে সবচেয়ে বেশি হিংসার শিকার হয়েছেন তারা। হারিয়েছেন উচ্চশিক্ষার সুযোগ, চাকরি-পোশাকের স্বাধীনতাসহ প্রায় সব অধিকার।

তবে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা। ২ বছরের বন্দীদশা ভেঙে ছোটোখাটো ব্যবসা, হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন পেশায় ঝুঁকছেন তারা।

কাবুলের ব্যস্ততম সড়কের ধারে রেস্তোরাঁ পরিচালনা করছেন নারীরা। বানোওয়ান-ই-আফগান নামের রেস্তোরাঁটিতে শুধু নারীরাই বসে খেতে পারবেন। খাবার তৈরি থেকে শুরু করে পরিবেশন সব কিছুই এখানে নারীরা করে থাকেন।

রেস্তোরাঁটির মালিক সামিরা মহাম্মাদি জানান, নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। তালেবান নিষেধাজ্ঞার জবাব এই রেস্তোরাঁ দৃষ্টান্ত তৈরি করবে বলে আশাবাদী তিনি।

সামিরা মহাম্মাদি বলেন, “আমার একটি কাপড়ের কারখানা ছিল। যেখানে প্রায় ৫০০ নারী কাজ করতো। কিন্তু দুর্ভাগ্যবসত সেটি বন্ধ হয়ে যায়। আমার সঙ্গে বেকার হয়ে যাওয়া কয়েকশ’ কর্মীকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতেই নতুনভাবে এই ব্যবসা শুরু করেছি।”

একই চিন্তাধারায় আফগান শহর হেরাতে তৈরি হয়েছে নারীদের শপিং মল। ক্রেতা থেকে শুরু করে দোকানি সবাই নারী। নেই পুরুষের প্রবেশাধিকার।  

হেরাতের উইমেন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টির এই মলে রয়েছে ৪০টির মতো দোকান। যেখানে হস্তশিল্প, প্রসাধনী, পোশাক এবং অন্যান্য পণ্য বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন কয়েকশ’ নারী।