ঢাকা, মঙ্গলবার ০৯, জুন ২০২৬ ১:২০:৪১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে টাকার নৈরাজ্য, নেই নিয়ম-নীতির বালাই আগামী বছর পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বই হামে একদিনে আরও ৮ শিশুর প্রাণহানী পুশইন ঠেকাতে ভারতকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে সরকার বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৫ দেশে একসঙ্গে ভূমিকম্প অনুভূত

পাকা কলার পিঠা, একটি মুখরোচক খাবার

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:০৩ পিএম, ৮ জুন ২০২৬ সোমবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবারের তালিকায় পিঠার স্থান সবসময়ই বিশেষ। আর সেই পিঠার ভিন্নধর্মী ও সুস্বাদু একটি ধরন হলো পাকা কলার পিঠা। সহজলভ্য উপকরণে তৈরি এই পিঠা যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। গ্রামাঞ্চলে এখনও অনেক পরিবারে সকালের নাশতা কিংবা বিকেলের আপ্যায়নে পাকা কলার পিঠা তৈরি করা হয়।

পাকা কলা, চালের গুঁড়া, আটা, গুড় কিংবা চিনি দিয়ে তৈরি করা হয় এই পিঠা। অনেক এলাকায় এর সঙ্গে নারকেল কুঁচি ও তিলও যোগ করা হয়, যা পিঠার স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেয়। মিশ্রণটি ছোট ছোট আকারে গড়ে তেলে ভেজে অথবা তাওয়ায় সেঁকে পরিবেশন করা হয়।

খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকা কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬ এবং খাদ্য আঁশ। ফলে এই পিঠা শুধু মুখরোচকই নয়, শক্তিদায়ক খাবার হিসেবেও পরিচিত। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটি একটি স্বাস্থ্যকর নাশতা হতে পারে।

রাজধানীর বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানেও এখন পাকা কলার পিঠা পাওয়া যায়। বিক্রেতারা জানান, শীত মৌসুম ছাড়াও সারা বছরই এ পিঠার চাহিদা রয়েছে। অনেক তরুণ-তরুণীও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রেসিপি দেখে ঘরে বসেই পাকা কলার পিঠা তৈরি করছেন।

লোকসংস্কৃতি গবেষকদের মতে, আধুনিক ফাস্টফুডের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় খাবারগুলোর মধ্যে পাকা কলার পিঠা অন্যতম। তবে গ্রামীণ জনপদে এখনও এটি পারিবারিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে টিকে আছে। তারা বলছেন, দেশীয় খাবারের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়লে এমন ঐতিহ্যবাহী পিঠার কদর আরও বাড়বে।

স্বাদ, পুষ্টি ও ঐতিহ্যের অনন্য সমন্বয় হওয়ায় পাকা কলার পিঠা এখনও বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির এক প্রিয় অনুষঙ্গ হয়ে রয়েছে।