ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ৪:০৩:০৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ

পিঠের ব্যথা কিছুতেই কমছে না?

স্বাস্থ্য ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১১ পিএম, ২৫ মে ২০২৪ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সব বয়সীর মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। নিজের প্রয়োজন ছাড়াও অফিসের কাজ, বিনোদন– সব মিলিয়ে দিনের বেশির ভাগ সময় স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা হচ্ছে। অন্যদিকে শারীরিক বা কায়িক শ্রমের প্রবণতা কমছে। এর প্রভাব পড়ছে শরীরে। ব্যস্ত জীবনযাত্রায় ঠিকমতো শরীরচর্চাও করা হয়ে উঠছে না। এদিকে টানা বসে থাকায় বাড়ছে পিঠব্যথার মতো সমস্যা। বর্তমান সময়ে কারও শারীরিক সমস্যা থাক বা না থাক, পিঠে ব্যথার সমস্যায় ভুগছেন প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ। এর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশই প্রাপ্তবয়স্ক।

বিভিন্ন কারণে পিঠে ব্যথা হতে পারে। অফিসে প্রায় সাত-আট ঘণ্টা টানা বসে থাকতে হয়। কারও কারও  কর্মস্থলে কাজের চাপ এত বেশি থাকে যে বিরতি নিয়ে কিছুক্ষণ হেঁটে আসারও সুযোগ থাকে না। এর ফলে বাড়ে সমস্যা। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে এ সমস্যার জন্ম হচ্ছে। যারা গাড়ি চালানো পেশার সঙ্গে যুক্ত, সারাক্ষণ বসে থাকার ফলে তাদের পিঠে ব্যথা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ব্যস্ততার কারণে আলাদা করে শরীরচর্চাও করা হয়ে উঠছে না। সব মিলিয়ে পিঠে ব্যথার সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।


সুস্থ থাকতে কী করবেন
মনে রাখবেন, শরীরের বাড়তি ওজন পিঠে ব্যথার সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই যতটা সম্ভব ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি-সহ সুষম খাবার বেশি করে খান। হাড়ের যত্ন নিতে এগুলো জরুরি।
রোজ একবার হলেও ব্যায়াম করুন। যোগাসন করুন। সুযোগ থাকলে সাঁতার কাটতে পারেন। খুব ভালো ব্যায়াম এটি। মোটকথা, ফিট থাকার চেষ্টা করুন। ফিটনেস কমে গেলে ব্যথা-বেদনা চলতেই থাকবে।
ধূমপানের কারণেও পিঠে ব্যথা হতে পারে। এই অভ্যাস মেরুদণ্ডকে ক্ষয় করতে থাকে। এ কারণে পিঠে ব্যথা হতে পারে। সুস্থ থাকতে ধূমপান থেকে দূরে থাকুন।
কাজের চাপ থাকলেও অফিসে টানা বসে থাকবেন না। কয়েক মিনিটের জন্য হলেও হাঁটাহাঁটি করুন। মাঝেমধ্যে উঠে সোজা হয়ে দাঁড়ান। কোমরের ব্যায়াম করে নিন। তাতে কিছুটা হলেও লাভ হবে।
অফিসে টেবিলে প্রয়োজনীয় সব জিনিস নাগালের মধ্যে রাখুন। বেশিবার যাতে ঝুঁকতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দরকারি জিনিসপত্র হাতের কাছাকাছি রাখুন। এতে পিঠের ওপর চাপ পড়বে না।
কম্পিউটারের পর্দা যেন চোখের সোজাসুজি থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। খুব ওপরে বা নিচের দিকে তাকিয়ে কাজ করলে পিঠে চাপ পড়তে পারে।