ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১১, জুন ২০২৬ ২০:২৬:৩৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু কমছে না আলুর দাম মেঘনায় নিখোঁজের ২৮ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার ১৯ বছর পর বিএনপি সরকারের বাজেট আজ বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকছে ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট পেশ যে শর্তে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা আজ বৃহস্পতিবার পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের

বান্ধবীকে ভিডিও কলে রেখে তরুণীর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৩৭ পিএম, ২৪ জুন ২০২১ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বান্ধবীর সঙ্গে একই বাসায় থাকেন সাবলেট। চাকরিও করেন একই প্রতিষ্ঠানে। অফিসে থাকা বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে জানালেন গলায় ফাঁস দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা। কল পেয়ে বান্ধবী অনেক বোঝালেন। কিন্তু কিছুই মানতে নারাজ তরুণী। অবশেষে অফিস থেকে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসে দরজা ভেঙে দেখলেন বান্ধবী ফাঁসিতে ঝুলছেন।

বুধবার বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর মালিবাগের গুলবাগে। নিহত তরুণীর নাম রুবিনা ইয়াসমিন নদী (২১)।

বিকালে ওই তরুণীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বান্ধবী মারিয়াম জানান, দুই বছর আগে সাইমুন নামের এক ছেলের সঙ্গে নদীর বিয়ে হয়। কিছুদিন পর তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এটা নিয়ে নদী বিষন্নতায় ভুগছিলেন। প্রায় সময়ই বলতেন- আমি আর বাঁচতে চাই না, আমি পরপারে চলে যাব।’

নদীর বান্ধবী জানান, আমরা দুজন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আজ বিকালে আমাকে ভিডিও কল দিয়ে নদী বলে, আমি আত্মহত্যা করব। আমি তাকে অনেক বোঝাই। কিন্তু সে কোনো কিছুই মানতে রাজি হয়নি। দ্রুত অফিস থেকে বাসায় এসে দেখি দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখি সে গলায় ফাঁস দিয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

নদীর গ্রামের বাড়ি বরগুনার বেতাগীতে। তার বাবার নাম রফিকুল ইসলাম। বর্তমানে মালিবাগের গুলবাগের ৩৯১ নম্বর বাসার পঞ্চম তলায় তার বান্ধবীর সঙ্গে সাবলেট হিসেবে থাকতেন।

নিহতের বাবা বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার পুলিশের উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত। এক ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি বড়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাযকে জানানো হয়েছে।

-জেডসি