বিশ্ব হার্ট দিবস আজ, ঝুঁকিতে নারী-শিশু
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ১২:০৯ পিএম, ৫ অক্টোবর ২০১৮ শুক্রবার
আজ শনিবার ২৯ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব হার্ট দিবস। বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। দিবসটির এ বছরের শ্লোগান হচ্ছে মাই হার্ট ইওর হার্ট । প্রতিবছর প্রায় পৌনে ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয় এই রোগে। যার মধ্যে শিশু এবং নারীরাই হৃদরোগের ঝুঁকিতে বেশি থাকে।
দিবসটি উপলক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা ও ফ্রি মেডিকেল চেকআপের আয়োজন করেছে।
এরমধ্যে সকাল ৭টায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের উদ্যোগে মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাইকেল শোভাযাত্রা ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অডিটরিয়ামে সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ফ্রি হার্ট ক্যাম্প, দুপুর সাড়ে ১২টায় গণমুখী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আজ নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বিশ্ব হার্ট দিবস উদ্যাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কার্ডিওলজি বিভাগ ও এ্যালিউমিনি এ্যাসোসিয়েশন অফ কার্ডিওলজি’র উদ্যোগে র্যালি ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বর্তমানে হৃদরোগকে বিশ্বের একনম্বর ঘাতকব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতিবছর প্রায় পৌনে ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয় এই রোগে। যা ২০৩০ সাল নাগাদ ২ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশু এবং নারীরাই বেশি হৃদরোগের ঝুঁকিতে বেশি থাকে। অথচ হৃদরোগের ভয়াবহতার ব্যাপারে সেইভাবে প্রচারণা নেই। ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন জানিয়েছে স্বাস্থ্যকর খাবার ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ ছাড়া কারো পক্ষে হৃদরোগের ব্যাপারে ঝুঁকিমুক্ত থাকা কঠিন।
এক সমীক্ষা অনুযায়ী দেখা যায়, ২০০০ সালের শুরু থেকে প্রতিবছর ১৭ মিলিয়ন লোক মারা যায় এই হৃদপিন্ড ও রক্তনালি জনিত রোগের কারণে। দেখা যায়, হৃদপিন্ডে রক্তনালির ও মস্তিষ্কের ষ্ট্রোক জনিত কারণে মৃত্যুর হার ক্যান্সার, এইচআইভি-এইডস্ এবং ম্যালেরিয়া থেকেও বেশি। বর্তমানে ৩১ শতাংশ মৃত্যুর কারণ ধরা হয় এই হৃদরোগ ও রক্তনালি জনিত রোগের কারণে এবং অল্প বয়সে মৃত্যুর ৮০ শতাংশ কারণও এ হৃদরোগকে দায়ী করা হয়।
হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষন হল এনজাইনা, শ্বাস কষ্ট হওয়া, অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন হওয়া ইত্যাদি। এনজাইনা হচ্ছে, রোগীর সাধারণত বুকে ব্যথা, বুকে চাপ অনুভব করা, বুক ভার ভার হওয়া, দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হওয়া ইত্যাদি। কারো করোনারি আর্টারী বা হার্টের রক্তনালির ৭০ শতাংশ ব্লক হয়ে গেলে তখনই এনজাইনা হয়ে থাকে। কখনো কখনো এনজাইনা থেকে হার্ট অ্যাটাক হয়। আবার করোনারি ধমনি যখন ১০০ শতাংশ ব্লক হয়, তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ফলেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক একটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা, যেখানে জীবন ও মৃত্যু খুব কাছাকাছি চলে আসে। এটি সাধারণত বয়স্কদের রোগ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখা গেছে, ৬০ থেকে ৭০ বছর বয়সী মানুষের এটি হয়ে থাকে। আমাদের এদেশে ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের এটি হয়ে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের থেকে আমাদের দেশের লোকের ১০ বছর আগেই হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে।
এখন ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী, এমনকি ২৫-৩০ বছর বয়সীরাও হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছে। যার অন্যতম কারণ হলো- স্বাস্থ্য সম্মত খাবার না খাওয়া, ধুমপান ও তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবন, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম না করা ও অ্যালকোহল পান করা।
এ ছাড়া এ অঞ্চলে দূর্বল হার্ট বা কার্ডিওমায়োপ্যাথী একটি পরিচিত হৃদরোগ যেখানে হার্টের কার্যক্ষমতা কমে যায়। বাতজ্বর জনিত হৃদরোগ বাংলাদেশের আরেকটি বড় সমস্যা। সাধারণত ছোট বেলায় বাতজ্বর থেকে পরবর্তীতে বাতজ্বর জনিত হৃদরোগ হয়ে থাকে। বাতজ্বর জনিত রোগে সাধারণত হার্টের ভাল্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর মধ্যে কিছু রোগ চিকিৎসার মাধ্যমে ভালো করা সম্ভব। আর কিছু রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। যদি সময়মতো চিকিৎসা করা না হয় তাহলে পরবর্তীতে শৈল চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে হতে পারে।
হৃদরোগের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণের মধ্যে যদি কারো পরিবারে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শিশুর জন্মগত হৃদরোগ থাকে, হবে সেক্ষেত্রে ঝুঁকি কমানোর জন্য আমাদের কিছুই করার থাকে না।
হৃদরোগ প্রতিরোধে কায়িক পরিশ্রম করা, হাঁটাহাঁটি করা, সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখা, ধূমপান না করা ও খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
এই দিবসটি পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মাঝে হৃদরোগ সম্পর্কিত জ্ঞান দেয়া হয়, যাতে তারা সময়মত হার্ট পরীক্ষা, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ধুমপান বর্জন, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমে নিজেদের নিয়োজিত রাখা, স্বাস্থ্য সম্মত খাবার খাওয়া এবং অ্যালকোহল পান থেকে নিজেকে বিরত রাখার মাধ্যমে নিজেদের হার্টকে সুস্থ ও সচল রাখতে পারে। তাই সাধারণ জনগণকে তাদের জীবন অভ্যাস পরিবর্তনে উৎসাহ প্রদান করা ও হৃদরোগ সম্পর্কিত জ্ঞান ও নির্দেশনা প্রদান করাই বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল লক্ষ্য।
- নতুন করে নির্মিত হল সাবিনা ইয়াসমিনের জনপ্রিয় গান
- টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ
- ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, নতুন ডিসি নিয়োগ
- কর কর্মকর্তা তানজিনা সাময়িক বরখাস্ত
- রাজধানী ঢাকার আকাশ মেঘে ঢাকা, বৃষ্টি হতে পারে
- পর্যটন খাত উন্নয়নে বাংলাদেশ-নেপাল যৌথভাবে কাজ করবে
- ৭ মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
- অন্ধকারে ছোট্ট আলো, জোনাকির রহস্যময় জগৎ
- বিশ্ববাজারের প্রভাব, দোলাচলে সোনার দাম
- ইরানে একদিনে সর্বোচ্চ হামলার রেকর্ড
- ঢাকার বাতাসের মানের অবনতি, শীর্ষে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই
- ১৩ দিন বিরতির পর আজ বসছে সংসদ অধিবেশন
- আজ বসছে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
- গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের
- স্পিকারের স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
- রাজধানীর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, বৃষ্টির সম্ভাবনা
- গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের
- সুলতানা কামাল: সবুজ মাঠ থেকে স্বপ্নের উড়ান
- স্পিকারের স্ত্রীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
- নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রেপ্তার
- স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী মারা গেছেন
- দেশের ১৯ জেলায় ঝড়ের সতর্কবার্তা
- ডানায় রঙের মায়া, প্রজাপতির বিস্ময়কর জগৎ
- দেশের বাজারে এবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
- রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার জীবন শেষ পদ্মায়
- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সব দায় নারীর কাঁধে, নীতিতে ফাঁকফোকর
- ডিমের বাজারে অস্থিরতা: পাইকারদের অভিযোগ
- ১৩ দিন বিরতির পর আজ বসছে সংসদ অধিবেশন
- তেলের ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন, নজরদারি জোরদার
- বিশ্ববাজারের প্রভাব, দোলাচলে সোনার দাম




