ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ১২:০৪:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৪ অঞ্চলে‘অতি ভারী’বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা চারদিন পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা ভারতে ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন বাড়ছে, আন্দোলনে সংসদ অচ জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার

বিস্ময়

আপডেট: ১২:৫৪ পিএম, ১০ অক্টোবর ২০১৩ বৃহস্পতিবার

তিন কোটি টাকার কবুতর : হেডলাইন দেখে চমকে গেলে? তাহলে বিস্তারিত জেনে আরও অবাক হবে। অন্য কবুতরদের হিংসা করার মতোই এক কাণ্ড ঘটেছে ডেনমার্কে। সবাইকে অবাক করে একটি কবুতর বিক্রি হয়েছে দুই লাখ ৯ হাজার পাউণ্ডে; আমাদের হিসাবে যা প্রায় তিন কোটি টাকা! Kobutor   ডেনমার্কের কবুতর খামারি পিটার ভেনস্ট্রার এর কবুতরটি নিলামের মাধ্যমে কিনে নেন ধনাঢ্য এক চীনা ব্যবসায়ি। এটি পালার জন্যই শখের বশে তিনি কিনেছেন বলে জানা গেছে!

বালি স্টারলিং : এই পাখির মূল সমস্যা এর সৌন্দর্য, সমস্যা কেন বলছি? একটু পরই জানবে। চোখ ধাঁধানো সাদা পালক, চোখের চারপাশে নীল চামড়া এবং লেজ ও ডানার আগায় কালো দাগ-সব মিলিয়ে বালি স্টারলিংয়ের সৌন্দর্য নজরকাড়া। তাই এগুলো খাঁচায় পোষা জনপ্রিয় হতে থাকে। পাখি পাচারকারীদের মূল টার্গেটে পরিণত হয় বালি স্টারলিং। বালি স্টারলিং কেবল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে মেলে। ১৯৯০ সালে এগুলোর সংখ্যা ২০ তে নেমে আসে। সংরক্ষণকারীদের প্রচেষ্টায় এগুলোর সংখ্যা ৫৫ পর্যন্ত ওঠে। কিন্তু পাচারকারীদের হামলায় ২০০১ সালের এক হিসাবে এ পাখির সংখ্যা ছয়ে নেমে এ Starling সেছিল। তাই বন্দি অবস্থায় এগুলোর প্রজনন করে বনে ছাড়া হতে থাকে। ২০০৮ সালে মুক্ত অবস্থায় বালি স্টারলিংয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮৫-তে। কিন্তু গত বছর জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, এগুলোর সংখ্যা আবার কমতে শুরু করেছে।     মাছিধরা স্বর্গের পাখি : ছবিতে ভালো করে তাকিয়ে দেখো, মুগ্ধ না হয়ে কি পারা যায়। পাখিটির ইংরেজি নামের হুবহু বাংলা করParadiseFlycatcherলে দাঁড়ায় ’মাছিধরা স্বর্গের পাখি’ তাহলে বোঝাই যাচ্ছে ইংরেজি নামটি হবে Paradise Flycatcher । মাথায় অপূর্ব কালো ক্রেস্ট উঁচিয়ে থাকা পাখিটি এমনিতেই অসাধারণ সুন্দর, সাথে আবার দীঘল লেজের মাঝে যে রূপ ঠিকরে বেরোচ্ছে তাতে আপুত হবে না কেউ? লেজসহ পূর্ণ বয়স্ক ফ্লাইক্যাচার এর দৈর্ঘ্য +-২০ সেমির মত হয়। কিন্তু পুরুষ প্রজাতির সেই অপরূপ লেজখানার দৈর্ঘ্য কখনও তার সেই নিজের দৈর্ঘ্যের থেকেও দ্বিগুণ হয়ে থাকে। লেজের শেষপ্রান্ত আবার হয় খণ্ডিত। যেনো নদীর মতো রূপের দুধারা বয়ে গেলো। স্বর্গীয় সৌন্দর্যের মূল চাবিকাঠিতো মনে হয় এই লেজেই।