ভবিষ্যত কি জানেনা, এক কাপড়েই ঘর ছাড়ছে আফগান নারীরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:৪০ পিএম, ২৯ আগস্ট ২০২১ রবিবার
ফাইল ছবি
আফগানিস্তানে তালিবানি প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে সে দেশের মানুষের মনে আতঙ্কও বেড়ে চলেছে। পূর্ব অভিজ্ঞতা মনে রেখে যেন তেন প্রকারে দেশ ছাড়তে চাইছে আফগানরা। ইতিমধ্যেই আফগানিস্তান থেকে পালিয়েছে বহু আতঙ্কিত মানুষ। এক কাপড়ে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছেন তারা। হুমকিমুক্ত জীবনের আশায় আমেরিকা, ব্রিটেন সহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন অনেকে। সংযুক্ত আরব আমিরাশাহিতে অনেক আফগান শরণার্থী অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে নিজ ভূমি ছেড়ে পরবাসে কীভাবে, কোথা থেকে জীবন শুরু করবেন তা নিয়ে ভীষণ চিন্তিত শরণার্থী আফগানরা।
মেডিকেল ছাত্রী ওয়াজমার বয়ান:
তালিবান শাসন থেকে বাঁচতে অনেকের মতো আফগান নাগরিক ওয়াজমা সব ফেলে আমেরিকায় পালিয়ে গিয়েছন আরও অনেকের সঙ্গে। এবার আমেরিকা থেকে অন্যান্য দেশে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে তাঁদের।
তালিবানরা ক্ষমতা দখলের পর ২১ বছর বয়সী মেডিকেলের ছাত্রী ওয়াজমা এতগুলো দিন আফগানিস্তানের বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় আতঙ্কের প্রহর গুণছিলেন। অবশেষে শনিবার নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেয়েছেন তিনি। এর জন্য তাঁকে অবশ্য বিস্তর কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। ওয়াজামা বলেন, ‘আমার স্বামী আমেরিকার দূতাবাসে কাজ করতেন। আমরা ওখানে থাকলে তালিবান আমাদের মেরে ফেলত।’
ওয়াজমা এএফপিকে বলেন, ‘এক কাপড়ে দেশ ছেড়েছি আমি। এখন কী হবে? কিছুই জানি না।’
১৫ আগস্ট থেকে আফগানিস্তানের রাস্তায় সশস্ত্র তালিবান মোতায়েনের পর কাবুল থেকে পালানো হাজার হাজার আফগানের মধ্যে ছিলেন তিনিও। ওয়াজমা, তাঁর স্বামী, দেওর ও ছোট্ট ভাইঝি দীর্ঘদিন রাস্তায় কাটিয়েছেন। কাবুল বিমানবন্দরের গেটে না যাওয়া পর্যন্ত গোপনে চলাফেরা করেছেন তাঁরা। সেখানে আমেরিকার সেনারা তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
ছোট্ট ভাইঝিকে কোলে নিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল। খোদাকে ধন্যবাদ যে, আমরা এখন নিরাপদে আছি।’ পাশাপাশি ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, ‘কট্টর ইসলামপন্থি তালিবান নারীদের প্রতি তাদের বৈষম্যমূলক নীতি পরিবর্তন করবে না কখনওই।’
- ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরাকে বিমান বিধ্বস্ত: দুই নারীসহ নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
- কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এলো মৃত বিশাল ডলফিন
- ঢাকার বাতাসের মান উন্নতির দিকে, দূষণের শীর্ষে কাঠমান্ডু
- বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যা বলল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু
- অমর একুশে বইমেলার শেষ দিন আজ
- ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রা: আজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ মার্চের টিকিট
- ঢাকার বাতাসে স্বস্তি, দূষণের শীর্ষে কায়রো
- আজও মধ্যপ্রাচ্যের ২৪ ফ্লাইট বাতিল, বিপাবে যাত্রীরা
- মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির বিশেষ অভিযান শুরু আজ
- ট্রাম্পের ধর্মীয় কমিশন থেকে একমাত্র মুসলিম নারীর পদত্যাগ
- টানা পাঁচদিন বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম
- বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী
- দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম
- ঢাকার বাতাসে স্বস্তি, দূষণের শীর্ষে কায়রো
- মশক নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির বিশেষ অভিযান শুরু আজ
- রাজধানীতে হঠাৎ শিলা বৃষ্টি, ৩ জনের মৃত্যু
- বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী
- ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রার দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি শুরু
- ট্রাম্পের ধর্মীয় কমিশন থেকে একমাত্র মুসলিম নারীর পদত্যাগ
- আজও মধ্যপ্রাচ্যের ২৪ ফ্লাইট বাতিল, বিপাবে যাত্রীরা
- ঢাকার বাতাসের মান উন্নতির দিকে, দূষণের শীর্ষে কাঠমান্ডু
- টানা পাঁচদিন বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- ইরাকে বিমান বিধ্বস্ত: দুই নারীসহ নিহত ৬ মার্কিন সেনার নাম প্রকাশ
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু
- ঈদে ফিরতি ট্রেনযাত্রা: আজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ মার্চের টিকিট
- কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এলো মৃত বিশাল ডলফিন
- বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যা বলল আবহাওয়া অধিদপ্তর



