ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ০:৩৮:৩৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব

মহাকাশ স্টেশনে গিয়ে টিকটক বানালেন নভোচারী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:২৫ পিএম, ১৩ জুন ২০২২ সোমবার

সামান্থা ক্রিস্তোফোরেত্তি

সামান্থা ক্রিস্তোফোরেত্তি

ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটককে এবার ভিন্নমাত্রায় নিয়ে গেলেন ইউরোপের নভোচারী সামান্থা ক্রিস্তোফোরেত্তি। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) টিকটকের জন্য ভিডিও তৈরি করেছেন তিনি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সামান্থা ইতালির প্রথম নারী নভোচারী। ২০১৪ সালে প্রথম মহাকাশে ভ্রমণ করেন তিনি। সেবার আইএসএসে একজন নারী হিসেবে টানা ১৯৯ দিন কাটিয়ে করেন রেকর্ডও। ২০১৭-২০১৯ সালে সেই রেকর্ড ভেঙেও যায়। তবে এবার নতুন এক রেকর্ড করলেন তিনি।

চলতি বছরের এপ্রিলে দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশভ্রমণে গিয়েছেন সামান্থা। সেখানে ধারণ করা ভিডিও পোস্ট করছেন টিকটকে। এসব ভিডিও দেখছেন কোটি কোটি মানুষ। এর জেরেই নভোচারী সামান্থা এখন টিকটক তারকাও বনে গেছেন।

মহাকাশে সামান্থা এই টিকটক ভিডিও করেছেন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি দ্য হিচহাইকারস গাইড টু দ্য গ্যালাক্সির লেখক ডগলাস অ্যাডামসের স্মরণে। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন, মহাকাশে ওজনহীন অবস্থায় একটি ভেজা তোয়ালে কেমন আচরণ করে। ভিডিওটি দেখা হয়েছে ১৭ কোটি বারের বেশি।

পৃথিবী থেকে একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণের পর তা আইএসএসে স্থাপন করা পর্যন্ত বিস্তারিত দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে সামান্থার অপর একটি টিকটক ভিডিওতে। এই ভিডিও এখন পর্যন্ত দেখা হয়েছে ১২ লাখ বারের বেশি।

তবে এটা ভাবলে চলবে না যে মহাকাশে গিয়ে সামান্থা শুধু টিকটক ভিডিও করছেন। প্রতিদিন মহাকাশ স্টেশনের রক্ষণাবেক্ষণ ও গবেষণার কাজে ১২ ঘণ্টা করে সময় দিতে হচ্ছে তাকে। একটি গবেষণার বিষয় হলো মহাকাশযানে খুবই কম মহাকর্ষ বলের মধ্যে কীভাবে ডিম্বাশয়ের কোষগুলো কাজ করে, তা খতিয়ে দেখা। গবেষণাটি একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তার বিশ্বাস, এই গবেষণার সুফল পাবে পৃথিবীর মানুষ।