মাদকের ছোবলে মেয়েরা
আপডেট: ০৬:৪০ পিএম, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ রবিবার
অনু সরকার, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : দেশে আশংঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মেয়ে মাদক সেবীর সংখ্যা। এমনকি ছাত্রীরাও এই মরন নেশায় আসক্ত হয়ে পরছে। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও গা ভাসিয়ে দিচ্ছে মাদকের অন্ধকার জগতে। সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের হিসেবে, সারাদেশে প্রায় ৫০ লাখ লোক মাদকাসক্ত। এদের ৯১ শতাংশই কিশোর ও তরুণ। এছাড়া দেড় লাখ মেয়ে বিভিন্ন ধরনের মাদকে আসক্ত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, বদরুন্নেসা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার ছাত্রী মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। মাদক নিরসনে উদ্যোগী সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মাদকাসক্তদের সঙ্গে আলাপ করে এবং নিজস্ব অনুসন্ধানে মেয়ে আসক্তদের সম্পর্কে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন কৌতুহল, পারিবারিক অশান্তি, প্রেমে ব্যর্থতা, বন্ধুদের কু-প্রচারণা, অসৎসঙ্গ, হতাশা, আকাশ সংস্কৃতির প্রভাবসহ নানা কারণে তারা মাদকাসক্ত হয়ে পরছে।
মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সাম্প্রদিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সারা দেশে মাদকাসক্ত ৫০ লাখ মানুষের মধ্যে ১ লাখের ওপর বসবাস করছে রাজধানী ঢাকায়। এদের মধ্যে শতকরা প্রায় ১০ জন অর্থাৎ প্রায় ১০ হাজারই হচ্ছে তরুণী ও বয়স্ক মহিলা। আবার এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গৃহবধু, অন্যান্য পেশা এবং যৌনকর্মে নিয়োজিত। বাকীরা অর্থাৎ মাদকাসক্ত নারীর অধিকাংশই স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। এক্ষেত্রে ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেশি।
ইউনিসেফের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের শতকরা ১৫ ভাগ নারী ধুমপান করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্বাস্থ্য ও জনমিতিক জরিপে দেখা যায় ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েরা শতকরা ১ ভাগ ধুমপানে আসক্ত।
মাদকবিরোধী সংগঠন ‘লাইফ’ সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা শহরের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হোস্টেলে থাকা ৪৬৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ওপর এক জরিপ চালায়। এদের বয়স ১৫ থেকে ২২ এর মধ্যে। এর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ১৩০ জন। দেখা গেছে হোস্টেলে থাকা এসব ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে মধ্যে শতকরা ৪০ ভাগই বিভিন্ন রকম মাদকে আসক্ত। সিগারেটে আসক্তদের মধ্যে শতকরা ৫৫ জন ছাত্র এবং প্রায় ৮ ভাগ ছাত্রী। অ্যালকোহলে আসক্ত প্রায় ১৪ ভাগ ছাত্র এবং ৪ ভাগ ছাত্রী। ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজা ও বিভিন্ন রকম ঘুমের ট্যাবলেটে আসক্ত প্রায় ২ ভাগ ছাত্রী। চরস ও ভাং দিয়ে নেশা করে প্রায় ১২ ভাগ ছাত্রী।
রাজধানীতে তরুণী ও যুবা নারীদের হেরোইন গ্রহণের ভয়াবহ চিত্র পাওয়া যায় সায়দাবাদ সিটি পল্লী, মোহাম্মদপুর বস্তি ও মিরপুর পল্লবীর বস্তিতে। গবেষণার তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, শুধুমাত্র সায়দাবাদ সিটি পল্লী ২০০৪ সালের জানুয়ারি মাসেই নারী হেরোইনসেবী পাওয়া গেছে ৬৩ জন। এদের অধিকাংশেরই বয়স ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে।
মাদক নিরাময় কেন্দ্র নিউ মুক্তি ক্লিনিকের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে মাদক আসক্তদের শতকরা ৯০ ভাগই মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রী।
বিশেষজ্ঞ ও মাদকাসক্ত কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে তারা সাধারণত ফেনসিডিল, হেরোইন, ইনজেকশন, গাঁজা, চরম, ভাং ও ইয়ারা ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন রকম ট্যাবলেট গ্রহণ করে থাকে। তবে অধিকাংশ মেয়েই ফেনসিডিলকে পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে রেখেছে।
জানা গেছে, ফেনসিডিলের সহজলভ্যতা এবং ব্যবহারের সুবিধাই এর মূল কারণ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী বলেছে, ‘ফেনসিডিলের স্বাদ মিষ্টি। তাছাড়া খাওয়ার পর মুখে কোনো রকম গন্ধ থাকে না। আর হাতে পেতেও সুবিধা। তুলনামূলকভাবে দাম কম।’
এরপর রয়েছে বিভিন্ন ট্যাবলেটের অবস্থান। তবে ইয়াবা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি দাম হওয়ার কারণে ধণী ও অর্থশালী পরিবারে মেয়েরাই তা গ্রহণ করছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরাই ইয়াবা বেশি খাচ্ছে।
দেখা গেছে, টিনেজ মেয়েদের মধ্যে মাদক গ্রহণের প্রবণতা বেশি। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া মেয়েরা বেশি মাদকে আসক্ত হচ্ছে। জীবনকে উপভোগ করতে গিয়ে বন্ধুদের খপ্পরে পরে তারা পা রাখছে এ জগতে। দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের মধ্যে এ প্রবণতা সবচেয়ে বেশি বলে জানা গেছে। এছাড়া স্কুল ছাত্রীসহ গৃহবধু, চাকরিজীবী নারী এবং অন্যান্য মেয়েরাও মাদকে আসক্ত হয়ে পরছে।
মাদকাসক্তদের কেউ কেউ বলেছে নিছক সখের ছলে টেষ্ট করতে গিয়ে ক্রমশ বিভিন্ন নেশা দ্রব্যের প্রতি আসক্ত হয়ে পরেছে তারা। তাছাড়া স্বাদের কোন ঝামেলা নেই। আলাপকালে অধিকাংশ মেয়েই বলেছে তারা এই মাদকদ্রব্য পায় ছেলে বন্ধুদের কাছ থেকে।
বেশ কয়েকজন আসক্ত মেয়ে জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন স্পট থেকে তারা এসব নিয়মিত কেনে। তারা জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্ত্বর, মহসিন হলের গেট, মধুর ক্যান্টিন, টিএসসি, সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে এবং বিশ^বিদ্যালয় মসজিদের সামনের রাস্তায় সন্ধ্যার পর থেকে বিভিন্ন রকম মাদক কিনতে পাওয়া যায়। এছাড়া মোহাম্মদপুর বেড়ি বাধ এবং শাহজাহানপুর ও তেজগাঁও রেল বস্তি, মালিবাগ বাজারের কুমিল্লা পাড়া, খিলগাঁও রেল গেট এবং পুরোনো ঢাকার বেশ কয়েকটি স্পটে মাদক পাওয়া যায়। তবে অধিকাংশই বলেছে ছেলে বন্ধুরা তাদের নিয়মিত সাপলাই করে।
এদিকে ঢাকা শহরের কয়েকটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র ও নেশা দ্রব্য বিক্রির স্পট ঘুরে স্কুল-কলেজ-বিশ^বিদ্যালয় পড়ূয়া ছাত্রীদের মাদক দ্রব্য গ্রহণের আশংকাজনক চিত্র পাওয়া গেছে।
বিশেষজ্ঞ ও মাদকাশক্ত মেয়েদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে মাদকাসক্ত ছাত্রীদের মধ্যে ৮ শতাংশই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। নেশা করে এমন কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে তারা মূলত ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও অন্যান্য মাদক কেনেন নীলক্ষেত বস্তি থেকে। এছাড়া গুলশান ও মিরপুর বস্তি থেকেও মাদক কেনা হয় বলে জানিয়েছেন তারা। কখনো কখনো চা-পান বিক্রেতা ও টোকাইদের কাছ থেকেও নেশাদ্রব্য কেনেন কেউ কেউ। প্রতি বোতল ফেনসিডিলের দাম বর্তমানে ২০০ থেকে ২৮০ টাকা। হেরোইন প্রতি পুড়িয়া ৫০ থেকে ৮০ টাকা। গাঁজা ৫ থেকে ১০ টাকা প্রতি ষ্টিক। ইয়াবা ট্যাবলেট প্রতিটি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। টিটিজেসি ইঞ্জেকশন প্রতিটি ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং প্যাথেডিন ইঞ্জেকশন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ছাত্রী বলে, ‘বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার আসরে মজা করতে গিয়ে প্রথম গাজা খাই। তারপর কখন যে আসক্ত হয়ে পড়েছি বুঝতে পারিনি। এখন নিয়মিত হেরোইন আর ইয়াবা ট্যাবলেট খাই। গত প্রায় দুই বছর ধরে খাচ্ছি। আমি এই অভ্যাস ছাড়তে চাই। আমার শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আমি অসামাজিক হয়ে পড়ছি। এখন আমি চিকিৎসা নিচ্ছি।’
রাজধানীর একটি নিরাময় কেন্দ্রে কথা হয় এইচএসসি পড়ূয়া সীমির (ছ™§নাম) সঙ্গে। সে বলে, ‘বাবা-মার সঙ্গে ঝগড়া করে আমি প্রথম ফেনসিডিল খাই। এক বন্ধুই আমাকে ফেনসিডিল এনে দেয়। তারপর থেকে খেতে খেতে অভ্যাস হয়ে গেছে। এখন বন্ধুরাই আমাকে মাদক সাপ্লাই করে। কিন্তু আমি এখন আর এসব খেতে চাইনা। সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরতে চাই।’
সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে সামাজিক বিশৃঙ্খলা, আকাশ সংস্কৃতির প্রভার এবং পারিবারিক ও বিভিন্ন হতাশার কারণে এই জেনারশনের মেয়েরা বেশি ড্রাগে আসক্ত হয়ে পড়ছে।
এ প্রসঙ্গে সমাজবিজ্ঞানী মাহমুদা ইসলাম বলেন, ‘সাধারণত দেখা যায় কম বয়সের কারণে এরা একজন অন্যজনের কথায় বেশি প্রভাবিত হয়। আর এ বয়সে আবেগ বেশি থাকার কারণে সহযেই তারা যে কোনো বিষয়ে ভেঙ্গে পড়ে। ফলে একটি নেতিবাচক পরিস্থিতিতে পড়লে তা থেকে নিজেকে আড়াল করতে তারা অনেকেই মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে। তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায় বন্ধুদের সঙ্গে থেকে অনেকেরই এই অভ্যাস হয়েছে। পারিবারিক অশান্তি, বাবা-মার নেতিবাচক সম্পর্ক অথবা ব্রোকেন পরিবারেরর কারণেও অনেকে এ পথে চলে যায়।’
বিশিষ্ট মনরোগ চিকিৎসক ডা. মোহিত কামাল এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘উঠতি বয়সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ার কারণেও অনেক মেয়েকে মাদক গ্রহণ করতে দেখা যায়। একজন মানুষের জন্য বিশেষ করে টিনএজ খুবই একটি রিস্কি প্রিরিয়ড। আর মেয়েরা তুলনামূলকভাবে ছেলেদের চেয়ে বেশি আবেগপ্রবণ ও নরম মনের হয় বলে তাদের মানসিক প্রতিক্রিয়াও হয় দ্রুত।’
এদিকে চিকিৎসকরা জানান, মাদকাসক্ত মেয়েদের বিকলাঙ্গ সন্তান জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। আসক্ত মেয়েরা পাইলসসহ নানা রকম রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তাদের হরমোন অস্বাভাবিক হয়ে পরে। মাসিক স্বাভাবিক হয় না এবং তাদের এক সময় যৌনক্রিয়ার প্রতি অনিহা সৃষ্টি হয়।
রাজধানীর মুক্তমন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সঞ্জয় দাশ জানান, দেশে ১৪ লাখের বেশি তরুণ-তরুণী মাদকাসক্ত। কোনো মেয়ে যদি গর্ভাবস্থায় মাদকাসক্ত হয়ে পরে তাহলে তার অনাগত সন্তানেরও মাদকাসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সন্তান বিকলাঙ্গও হতে পারে।
চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ফেনসিডিল বা হেরোইন নিয়মিত খেলে পরিপাকতন্ত্র নষ্ট হয়ে যায়। নেশা করার কারণে শরীরের রাসায়নিক ক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়। মানসিক সুস্থ্যতা হারিয়ে যায়। ফলে নেশায় আক্রান্ত ব্যক্তি পাগলও হয়ে যেতে পারে। এমনিতেই মাদক নিলে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।
সঞ্জয় দাশ আরো জানান, এক ডোজ দুই ডোজ করে প্রথম নেশা করা শুরু হয়। ক্রমশ ডোজের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আর এদের অবস্থাও খারাপ হতে থাকে। তবে মেয়েদের মাদকাসক্ত হওয়ার পেছনে অধিকাংশ সময়ই তাদের ছেলে বন্ধুদের হাত থাকে। অনেক সময় দেখা যায় স্বাামীরা তাদের স্ত্রীদের মাদকে আসক্ত করছে।
মুক্তমন ক্লিনিকের প্রধান নির্বাহী এনামুল হক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মেয়েদের মাদকাসক্তির হার উল্লেখজনক হারে বেড়ে গেছে। হেরোইন ও ইয়াবার মতো ক্ষতিকর ও ভয়াবহ মাদকের সহজপ্রাপ্যতা এজন্য দায়ি। আগে হাসপাতালের আউটডোরে মাদকাসক্ত রোগী হাতে গোনা দু-চারজন পাওয়া যেতো। আর বর্তমানে রোগীর সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগের বেশি। এরা ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন কিংবা অন্যান্য মাদকে আসক্ত।
তিনি জানান, মাদকাসক্তদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। এদের বয়স ১৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে। তবে ১৫ বছরের নিচের কিশোর-কিশোরীরাও আজকাল মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের গড় বয়স মাত্র ২২ বছর।
০৮.০৯.২০১৪
- দেশের ৮ অঞ্চলে রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- ঢাকাসহ সারা দেশে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- খরচ কমলো হজের, সর্বনিম্ন ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল
- বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২৬তম
- তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- চাঁপাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-মেয়েসহ ৩ নারীর প্রাণহানী
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে স্পেন
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
- গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ
- চাঁদপুরে ইলিশের সঙ্কট, কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ দল
- রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- দেশে দেশে শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কড়াকড়ি











