মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেল জেলেপল্লীর দীপ্তি
জেসমিন রহমান | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৮:০৬ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২২ সোমবার
মা-বাবা সাথে দীপ্তি রাণী দাস।
দীপ্তি রাণী দাস। রংপুরের পীরগঞ্জ পৌরসভার উজিরপুর গ্রামের জেলেপল্লীর মৎস্যজীবী ধলু চন্দ্রের জ্যেষ্ঠ কন্যা। দারিদ্র্য থামাতে পারিনি অদম্য দীপ্তি রাণীর স্বপ্নকে। এমবিবিএস কোর্সে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে দীপ্তি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে।
আধুনিকতার ছোঁয়াহীন প্রত্যন্ত পল্লীতে বাসরত অভাব অনটনের মধ্যে তিল-তিল করে নিজের অদম্য ইচ্ছার দিকে এগিয়ে চলছে সে। উজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত পড়ার পর বাবার ইচ্ছায় প্রাইমারি স্কুল থেকে নিউ ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল কেজি স্কুলে ৪র্থ শ্রেণী ও প্রাথমিক সমাপনি সমাপ্তির পর পীরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ট শ্রেণীতে ভর্তি হয়। ২০১৯ সালে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিসহ এসএসসি, ২০২১ সালে সরকারি শাহ আব্দুর রউফ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে। এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস প্রাপ্ত হয় সে। এর আগে জেএসসিতে সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে দীপ্তি। এমবিবিএস কোর্সে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে। বাবা-মা শত কষ্টের মধ্য মেয়ের স্বপ্ন পুরণে সকল সহযোগিতা অব্যহত রেখেছেন।
দীপ্তি বলেন, ছোট বেলায় স্কুলে যখন জেলে পল্লীর বাচ্চাদের সঙ্গে যেতাম তখন নিজেকে অসহায় মনে হতো। এরপর যখন বাবা আমাকে কেজি স্কুলে ভর্তি করায়, তখন ভীত সন্ত্রস্ত ছিলাম। অজো পাড়া-গাঁয়ের স্কুল ছেড়ে শহরের কেজি স্কুলে নিজেকে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছিল। এমনিতে অভাব অনটনের কারনে ভালো পোশাক পরিধান করতে পারতাম না, ভালো খাবারও জুটতো না। এক সময় সব ভুলে নিজের স্বপ্ন ও বাবা-মায়ের কষ্টের কথা মনে করিয়ে নিজেকে তৈরি করতে থাকি। স্কুল ও কলেজ থেকে সহযোগিতার প্রশ্নে দীপ্তি বলেন, স্কুলে বেতন-প্রাইভেটে কোন ছাড় মেলেনি, মেধাবী হিসেবে আলাদা করে কোন সুযোগ সুবিধাও মেলেনি। যখন কলেজে ভর্তি হই তখনি করোনার ছুটি মেলে। সে কারনে ভালো জানা হয়নি কলেজ, চেনা হয়নি শিক্ষক ও সহপাঠিদের। মেডিকেলে ভর্তির জন্য রেটিনা কোচিং এ ভর্তি হয়ে ১৫/২০ দিন ক্লাস করেছি। বাকি সময় অনলাইনে বাড়ি থেকে ক্লাস করেছি।
দীপ্তির বাবা ধলু চন্দ্র দাস বাসসকে বলেন, দুই মেয়ে দীপ্তি ও দিপাসহ ৪ জনের সংসার। অভাব অনটনের মধ্য কোন রকমে চলে যাছে। ধার-দেনা করে ২ মেয়ের স্বপ্ন পুরণে চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভগবানের কৃপায় বড় মেয়ে স্বপ্ন পুরণের পথে। ছোট মেয়েটাও মেধাবী। পীরগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। বড় মেয়ের স্বপ্ন পুরণ করতে গিয়ে ছোট মেয়ের প্রতি যতœহীন। মেডিকেলে ভর্তিতে খুশির পাশাপাশি দুচিন্তায় পড়েছি। এ পর্যন্ত আসতে অনেক ধার-দেনা হয়েছে। মেয়ের মেডিকেলের ৪ বছর খরচ কি করে জোগাবো সেটাই এখন ভাবনা।
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি

