ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৪৯:২৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৮ মূল্যস্ফীতির চাপে ঋণের ফাঁদে দেশের ৪৭ শতাংশ পরিবার বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত তৃণমূলে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের উদ্যোগ ছদ্মনামে লিখে সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ইসাবেল আলেন্দে কলকাতায় পূজামণ্ডপ ভেঙে ১৩ নারীসহ ১৯ জনের প্রাণহানী ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদফতর

যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ শিশুর ৩০ খেলনা, নেপথ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৫৬ এএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

যুক্তরাজ্যের বাজারে বিক্রি হওয়া শিশুদের কিছু খেলনায় ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান অ্যাসবেস্টস শনাক্ত হওয়ায় অন্তত ৩০টির বেশি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং খেলনা নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে প্রথম এই তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘হবি ক্রাফট’ ব্র্যান্ডের প্লে স্যান্ডসহ বিভিন্ন খেলনায় ক্ষতিকর খনিজ অ্যাসবেস্টসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এর পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এসব পণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মোমবাতি তৈরির কিট, স্ট্রেচি রাবার টয়সহ আরও কিছু পণ্যে এই ঝুঁকিপূর্ণ উপাদান পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব খেলনায় ব্যবহৃত রঙিন বালির উৎস চীনের কিছু খনি, যেখানে প্রাকৃতিকভাবে অ্যাসবেস্টস থাকতে পারে। উৎপাদনের সময় পর্যাপ্ত পরীক্ষা না হওয়ায় তা চূড়ান্ত পণ্যে থেকে যেতে পারে।

অ্যাসবেস্টস একটি বিপজ্জনক খনিজ, যা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে ফুসফুসের মারাত্মক রোগ, এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। যুক্তরাজ্যে বহু আগেই এই উপাদানের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানের পরীক্ষায় এটি শনাক্ত না হওয়ায় কিছু পণ্য নিরাপদ সনদ নিয়ে বাজারে পৌঁছে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার সংস্থা হুইচ জানিয়েছে, গত তিন মাসে বিপুল সংখ্যক খেলনা প্রত্যাহারের ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার বড় ধরনের দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়। সংস্থাটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আরও কঠোর নজরদারি এবং উন্নত পরীক্ষাগারের মাধ্যমে পণ্যের মান যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা শুধু যুক্তরাজ্য নয়, বৈশ্বিক খেলনা সরবরাহ শৃঙ্খলের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে শিশুদের ব্যবহারের পণ্যে কাঁচামাল নির্বাচন ও মান নিয়ন্ত্রণে আরও সতর্কতা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকারি কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে সন্দেহজনক বা অনিরাপদ খেলনা ব্যবহার থেকে শিশুদের দূরে রাখা যায়। তথ্যসূত্র : দ্য গার্ডিয়ান