ঢাকা, মঙ্গলবার ০৩, নভেম্বর ২০২৬ ১৬:১৩:৪৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল : ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মারুফাকে ছাড়া নারী টি-টোয়েন্টি দল জেল হত্যা দিবস: শোক ও বেদনায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ সেই বীথি এখন হেড কোচ, স্বপ্নের পরিসর আরও বড় ১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে ‘মুরাসু’র আঘাত

যুক্তরাষ্ট্রে চেতনাহীন রোগীর সন্তান জন্ম, ব্যাপক হৈচৈ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০৮ পিএম, ৯ জানুয়ারি ২০১৯ বুধবার

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের একটি কেয়ার হোমে এক দশকেরও বেশি সময় চেতনাহীন অবস্থায় থাকা এক রোগীর বাচ্চা হওয়ার পর এ নিয়ে শুরু হয়েছে প্রবল হৈচৈ।

বিবিসি বলছে, এই ঘটনার জের ধরে ঐ কেয়ার হোমের পরিচালনাকারী কোম্পানির প্রধান নির্বাহী পদত্যাগ করেছেন।

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পুলিশ একটি তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোয়ানা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স শহরের কাছে।

সেখানে হাসিয়েন্দা হেলথ কেয়ারের একটি ক্লিনিকে ঐ নারী এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চেতনাহীন অবস্থায় ছিলেন। তাকে সার্বক্ষণিক সেবা দিতে হতো। কিন্তু ঐ নারী গত ২৯ ডিসেম্বরে একটি সন্তান জন্মদান করেন। রোগীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

স্থানীয় টিভি চ্যানেল কেএইচ-ও টিভি প্রচারিত সংবাদে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলেছে, আমি যেটা শুনছি তা হলো হঠাৎ করেই ঐ রোগী গোঙাতে থাকেন। এবং কেউ বুঝতে পারছিলেন যে তিনি কেন গোঙাচ্ছিলেন।’

সূত্র মতে, বাচ্চার জন্ম হওয়ার আগ পর্যন্তও স্টাফদের মধ্যে কেউ বুঝতেই পারেন নি যে ঐ নারী অন্তঃসত্ত্বা। অচেতন রোগীর প্রসব যন্ত্রণা শুরু হলে হাসপাতাল কর্মীরা হতবাক হয়ে পড়েন।

কেয়ার হোমের মালিক কোম্পানির নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট গ্যারি অরম্যান বলেন, "এই ভয়াবহ ঘটনার পুরোটা না জানা পর্যন্ত আমরা থেমে থাকবো না।"

প্রভাবশালী পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, কেয়ার হোমটি সম্পর্কে কিছু নতুন অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, 'ভিজিটেটভি স্টেটে' থাকা এসব জ্ঞানহীন রোগীদের পোশাক পরিবর্তন বা তাদের গোসল করানো সময় তাদের নগ্ন করে রাখা হয়। কোন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা হয় না।

এই ঘটনায় ফিনিক্স পুলিশের একজন মুখপাত্র বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, এই ঘটনা নিয়ে তাদের তদন্ত চলছে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর কেয়ার হোমের কিছু নিয়মকানুনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন কেয়ার হোম কর্মী কোন নারী রোগীর ঘরে ঢুকতে চাইলে তাকে একজন নারী সহকর্মীকে সঙ্গে রাখতে হবে।

কেয়ার হোম কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা পুলিশের তদন্তের সাথে পরিপূর্ণভাবে সহযোগিতা করছে।

হাসিয়েন্দা হেলথ কেয়ার তার ওয়েবসাইটে বলে থাকে, কঠিন অসুখে পড়া রোগী, দুর্বল নারী, শিশু, টিনএজার ও তরুণদের তারা সেবা দিয়ে থাকে।