ঢাকা, রবিবার ২৯, মার্চ ২০২৬ ১৯:১৩:৫৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
টিউলিপকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ ১১ জেলার ডিসি প্রত্যাহার, নতুন ডিসি নিয়োগ কর কর্মকর্তা তানজিনা সাময়িক বরখাস্ত পর্যটন খাত উন্নয়নে বাংলাদেশ-নেপাল যৌথভাবে কাজ করবে বিশ্ববাজারের প্রভাব, দোলাচলে সোনার দাম ইরানে একদিনে সর্বোচ্চ হামলার রেকর্ড

রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১২:০৬ এএম, ২৯ আগস্ট ২০১৮ বুধবার

রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। দিনকে দিন ভয়ানক  আকার ধারণ করছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। সরকারী, বেসরকারী পদক্ষেপ নেওয়ার পরও কমানো যাচ্ছেনা ডেঙ্গুর প্রকোপ। এক অর্থে মহামারী আকারে রাজধানীতে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ রোগটি।



স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নেয়া পদক্ষেপ, সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের মধ্যেই চলছে ডেঙ্গুর বিস্তার। কোনো কিছুই তোয়াক্কা করছে না এডিস মশা।



জুন থেকে শুরু হয় ডেঙ্গুর প্রকোপ। এরপর থেকে তা বেড়েই চলেছে।  জুনে আক্রান্তের সংখ্যা ২৬৬ আর মৃতের সংখ্যা ৩ জন, জুলাইয়ে আক্রান্ত ৮৬৪ আর মৃত ৪ আর আগস্টে এ পর্যন্ত ১০৫৪ জন আক্রান্ত হলেও মৃতের সংখ্যা ১ জন। যা গত বছর এসময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। এ পরিসংখ্যানই বলে দেয় বর্তমান পরিস্থিতি কি পরিমাণ ভয়াবহ। প্রতিদিন হাসপাতালে যেমন বাড়ছে বহি:বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা তেমনি বাড়ছে ভর্তি রোগীর সংখ্যা।


চলতি বছর প্রাক মৌসুম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে যে দশটি ওয়ার্ডকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় তিন মাস পর বর্ষা মৌসুমের জরিপে তার আশি শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ থেকে যায়। সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এসব জরিপ খুব একটা আমলে নেয়নি সিটি করপোরেশন। নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।



স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকই করে যাচ্ছেন তারা।  সিটি করপোরেশনর দাবী সার্বিক বিষয়ে তারা সজাগ আছেন।


এদিকে ডেঙ্গু রোগীর যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারি বেসরকারি দশটি হাসপাতালকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। জমে থাকা পানিতে যেন মশা বংশবিস্তার করতে না পারে, বাড়ির আশপাশ যাতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে,সর্বোপরি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে রাজধানীবাসীকেই।