ঢাকা, বুধবার ২১, অক্টোবর ২০২৬ ১৩:২৮:৫২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বাল্যবিয়ের শিকার দেশের অর্ধেক মেয়ে: ইউনিসেফ যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন আজ বিজয়া দশমী, প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব পূজাতে গিয়ে নৌকাডুবি, স্ত্রী-মেয়েকে হারিয়ে বাবার আহাজারি `সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু নয়, সবার পরিচয় বাংলাদেশি` দুর্গাপূজার ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী বদলে যাচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম

রোজায় কত ঘণ্টা ক্লাস হবে, জানালো মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩৩ এএম, ১ এপ্রিল ২০২২ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পড়াশোনার যে ক্ষতি হয়েছে, সেটা পুষিয়ে নিতে পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব স্কুল কলেজ খোলা থাকবে বলে জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব স্কুল-কলেজে ক্লাস চলবে।

তবে রমজানে কত ঘণ্টা ক্লাস হবে, তা জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সই করা অফিস আদেশে জানানো হয়, রোজায় স্কুল-কলেজে ক্লাস হবে সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ ঘণ্টা।

মাউশির অফিস আদেশে বলা হয়, এক শিফটের প্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলবে সকাল ৯.৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এ ছাড়া দুই শিফটের প্রতিষ্ঠানে সকাল ৮.৩০ মিনিট থেকে ১১.১০ মিনিট এবং দিবা শিফটে ক্লাস চলবে বেলা ১১.৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, এক শিফটের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন ৫টি ক্লাস এবং দুই শিফটে চারটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্ব স্ব রুটিন প্রনয়ণ করে দিবে।

এর আগে সোমবার (২৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম-সচিব মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পড়াশোনায় ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০ রমজান পর্যন্ত দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২২ মার্চ ২০ রমজান পর্যন্ত প্রাথমিকের ক্লাস কার্যক্রম চালু রাখতে পরিপত্র জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়েও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।