ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:০৯:৪২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
নেপালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে, নিহত ১২ ঢাকায় ৩৯৪ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও ১৯৭ বিদেশি সাংবাদিক কানাডায় স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ১০ রাজধানী ফাঁকা, ভোটের টানে বাড়ি গেছে নগরবাসী ভোটের দিন পাঁচ ধরনের যানবাহন চলাচল নিষেধ সাভার-আশুলিয়া: ফাঁকা সড়ক-মহাসড়ক নারী ভোটারদের জন্য ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চাঁদপুরে, সব কর্মকর্তা নারী

শোলাকিয়া ঈদগাহে দেশের বৃহত্তর ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:১৫ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৯ সোমবার

কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানে দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি ছিল শোলাকিয়ার ১৯২তম ঈদুল আজহার জামাত। ঈদগাহটির ১৯২তম এ জামাত শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে মুনাজাত করা হয়।

আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় দেশের অন্যতম এ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা হিফজুর রহমান খান।

নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা এবং দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুনাজাত করা হয়।

রেওয়াজ অনুযায়ী জামাত শুরুর আগে মুসল্লিদের সংকেত দিতে শটগানের ছয়টি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। তিনটি গুলি জামাত শুরুর পাঁচ মিনিট আগে, দুইটি তিন মিনিট আগে এবং শেষটি জামাত শুরুর এক মিনিট আগে ছোড়া হয়।

নামাজ শেষে মোনাজাতে মাওলানা হিফজুর রহমান খান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণ করেন। সেই সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম জিল্লুর রহমান, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এবং কিশোরগঞ্জের কৃতি সন্তান সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জন্য দোয়া করা হয়। এছাড়াও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

ঈদ জামাতে শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ, র‌্যাব-১৪ সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম শোভন খান, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান, শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল কাদির মিয়াসহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নামাজ আদায় করেন।

শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত শেষ করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত পুলিশ, র‌্যাব ছাড়াও মাঠে দায়িত্ব পালন করেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের অনেক সদস্য।
জামাতের আগে প্রত্যেক মুসল্লিকে তল্লাশির মাধ্যমে গেট দিয়ে প্রবেশ করানো হয়। মাঠে আর্চওয়ে, ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরারও ব্যবস্থা রাখা হয়। মাঠ ও আশপাশ এলাকার আকাশে উড়ানো হয় ড্রোন। ড্রোনের মাধ্যমে মুসল্লিসহ সব কিছুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়।

১৮২৮ সালে জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় সাত একর জমির ওপর এ ঈদগাহ মাঠের যাত্রা শুরু হয়। ওই বছরই ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সেই ঈদের জামাতে মুসল্লির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল এক লাখ ২৫ হাজার অর্থাৎ সোয়া লাখ। এই সোয়া লাখ থেকেই উচ্চারণ বিবর্তনে বর্তমানে ‘শোলাকিয়া’ নামকরণ হয়েছে।