ঢাকা, রবিবার ২৮, জুন ২০২৬ ২০:১৮:০০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ৩২-এর সূচি সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সতর্কবার্তা জারি তীব্র তাপপ্রবাহে কাঁপছে ইউরোপ, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৬:৩২ পিএম, ২৮ জুন ২০২৬ রবিবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

রাজধানীর সবুজবাগ থানার দক্ষিণগাঁও এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে নিলুফার ইয়াসমিন (২৯) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ রোববার (২৮ জুন) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

​নিহত নিলুফার ইয়াসমিন কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার বিরিছিল গ্রামের নুর ইসলামের মেয়ে। তার স্বামী আনোয়ার হোসেন বর্তমানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে (জিএমপি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত আছেন।

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৪ বছর আগে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নিলুফারের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১০ বছর বয়সী একটি ছেলে ও ৭ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। গত কিছুদিন ধরে দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ মসজিদের বিপরীত পাশের একটি বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ৭ বছর বয়সী কন্যাসন্তান আফিয়াকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন নিলুফার। অন্যদিকে, তাদের বড় ছেলে আরাফাত একটি আবাসিক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে।

​ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোছা. ফাতেমা সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন— বড় ছেলের মাদ্রাসার পড়াশোনা ঠিকমতো না হওয়া এবং আর্থিক টানাপোড়েনসহ নানাবিধ পারিবারিক কারণে নিলুফার তীব্র মানসিক অবসাদ ও দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে নিজের ব্যবহৃত ওড়না পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ​

খবর পেয়ে পুলিশ সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভেতর থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে ফরেনসিক মতামতের জন্য আবেদন করা হয়েছে। 

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।