সরকার কোনো চ্যানেল বন্ধ করেনি: তথ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৭:৩১ পিএম, ২ এপ্রিল ২০১৯ মঙ্গলবার
ছবি: উইমেননিউজ২৪
জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা ভারতীয় টেলিভিশন জি নেটওয়ার্কের চ্যানেলগুলো বাংলাদেশে বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার কোনো বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করেনি। শুধু আইনের প্রয়োগ করেছে মাত্র। মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে সম্প্রচার বন্ধ করতে বলা হয়নি, বলা হয়েছিল আইন অনুযায়ী বিজ্ঞাপন ছাড়া যেন সম্প্রচার করা হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ এপ্রিল থেকে বিদেশি চ্যানেলে ডাউনলোড করে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন দেখানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখনো কিছু কিছু চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে। এই বিষয়ে আমরা দুটি পরিবেশককে নোটিস দিয়েছি। আমরা কোনো চ্যানেল বন্ধ করিনি।
মঙ্গলবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সিনেমা হল মালিকদের সাথে আলোচনা সভার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে ডাউনলিংক করে বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। সরকার এ সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। আইন না মানার কারণে বাংলাদেশের টেলিভিশন খাতে বিজ্ঞাপনের বাজার বাইরে চলে গেছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, কেবল ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন ২০০৬ এর উপ ধারা ১৯ (১৩) এর বিধান লঙ্ঘন করে বাংলাদেশে ডাউনলিংকৃত বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে পরিবেশক সংস্থা ন্যাশনওয়াইড মিডিয়া লিমিটেড এবং জাদু ভিশন লিমিটেডকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদেরকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের যারা টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক তারা জানেন, আপনাদের টেলিভিশন চ্যানেল যখন ইউকে প্রদর্শন করা হয় তখন এখানে যে বিজ্ঞাপনগুলো দেখান, সেগুলো সেখানে দেখানো যায় না। সেখানে সেই দেশের বিজ্ঞাপন দেখানো যায়। একই ধরনের আইন ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশে আছে। সে সব দেশে এ আইন মানা হয়।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এ আইনটি মানা হচ্ছিল না। আইনটি প্রয়োগ করা হয়নি। সেটি না করার কারণে বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যে বিজ্ঞাপন পেত সেগুলো চলে গেছে ভারতে।
পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী জানান, ইউনিলিভার বাংলাদেশে পাঁচ বছর আগে বিজ্ঞাপনখাতে বাংলাদেশে ১৫ কোটি টাকা খরচ করত। যেটি পাঁচ বছর পরে ২০ কোটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি কমে পাঁচ কোটিতে গেছে। বাকি বিজ্ঞাপন ভারতীয় চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রদর্শন করা হচ্ছিল, যেটি আইন বর্হিভূত। এরকম আরো অনেক কোম্পানি বছরে ৫০০ থেকে এক হাজার কোটি টাকার বিজ্ঞাপন অন্য দেশে চলে গেছে। টাকাটাও চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশের শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা আইনটি প্রয়োগ করার উদ্যোগ গ্রহণ করছি।
সরকার এ বিষয়ে কতোটা কঠোর থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আপনারা সঙ্গে থাকলে…, আমি সহযোগিতা চাই। আমরা নতুন কোনো আইন প্রয়োগ করছি না। দেশের স্বার্থে, দেশের গণমাধ্যম এবং টেলিভিশনের স্বার্থে এবং টেলিভিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক-কলাকুশলীর স্বার্থে প্রচলিত আইন প্রয়োগ করা শুরু করেছি।
-জেডসি
- দেশের ৮ অঞ্চলে রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- ঢাকাসহ সারা দেশে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- খরচ কমলো হজের, সর্বনিম্ন ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল
- বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২৬তম
- তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- চাঁপাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-মেয়েসহ ৩ নারীর প্রাণহানী
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে স্পেন
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
- গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ
- চাঁদপুরে ইলিশের সঙ্কট, কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ দল
- রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- দেশে দেশে শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কড়াকড়ি



