ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ২১:২১:০০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ক্রিকেট: বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পর স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ আবারও ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন সাবিনারা জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অ্যামনেস্টির চিঠি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ আজ সারাদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

১৩০ টাকার চিনি ৫০ টাকায় বিক্রি!

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৫৮ এএম, ১৮ আগস্ট ২০২৩ শুক্রবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

আদালতের জব্দ করা পণ্য কারসাজি করে কম মূল্যে নিলাম করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকার এক আদালতের বিরুদ্ধে। ১৩০ টাকা মূল্যের চিনি বিক্রি করা হয় ৫০ টাকায় কেজি দরে। নিলাম অনুষ্ঠান হয়েছে গোপনে। আদালতের সরকারি কৌঁসুলী বলছেন, নিলামের প্রক্রিয়াটি সঠিক হয়নি।

সম্প্রতি ঢাকা মেট্রোপলিটন মেজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জসিম একটি নিলাম অনুষ্ঠান করেছেন যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন না। আবার নিলামে অংশ নিতে ইচ্ছুক অন্য অনেককে পাশ কাটিয়ে অল্প কয়েকজনের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে তিনি নিলামটি পরিচালনা করেছেন। এছাড়া তিনি বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে পণ্য নিলাম করে দিয়েছেন। যা নিয়ে আদালত অঙ্গনে সমালোচনা হচ্ছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুলাই দারুস সালাম থানায় ১০ হাজার ৬৭৫ কেজি ভারতীয় চিনি জব্দ করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই চিনি নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেন।

গত ১৩ আগস্ট ওই নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওই নিলাম ১৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়।

এ ব্যাপারে আদালতের দারুস সালাম থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আল মামুন বলেন, গত ১৩ আগস্ট এ নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরে ১০ আগস্ট কোর্ট জানায়, ১৩ আগস্ট নিলাম হবে না।

বাজারে খোলা চিনির বর্তমান মূল্য ১৩০ টাকা আর প্যাকেটজাত চিনির দাম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। জানা গেছে, ১৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত ওই নিলামে বিচারক মোহাম্মদ জসীম ১০ হাজার ৬৭৫ কেজি চিনি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। ভ্যাটসহ ওই চিনি বিক্রি হয়েছে ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮২ টাকায়। নামমাত্র মূল্যে চিনি বিক্রির কারণে সরকারের প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। বাজার মূল্যে বিক্রি করলে প্রায় ১৪ লাখ টাকা পেত সরকার।