ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ২০:৩৭:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘বেগম’ সম্পাদক নূরজাহান বেগমের জন্মদিন আজ ১৪ বছরের অগাস্টিনার হত্যায় ক্ষোভে ফুঁসছে আর্জেন্টিনা কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত রামিসা ধ*র্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন রামিসা হত্যা মামলা: রায়ের দিন নির্ধারণ হতে পারে আজ

৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:২১ পিএম, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

ভারতের উত্তপ্রদেশের গাজিয়াবাদে একই পরিবারের তিন বোন একটি বহুতল ভবন থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। 

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে টিলা মোড থানা এলাকার ভারত সিটির একটি ন’তলা ভবনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-নিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) ও পাখি (১২)। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে একটি আত্মহত্যা নোট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে শুধু লেখা ছিল: ‘সরি পাপা’। মেয়েদের বাবা চেতন কুমার পুলিশকে জানিয়েছেন, তার মেয়েরা একটি অনলাইন কোরিয়ান গেম (Korean Lover Game)-এ আসক্ত ছিল, যা তিনি আগে জানতেন না। তার দাবি, মঙ্গলবার ছিল গেমটির ফাইনাল রাউন্ড শেষ করার দিন। গেমটিতে মোট ৫০টি টাস্ক ছিল। চূড়ান্ত টাস্ক শেষ করেই তারা একসঙ্গে লাফিয়ে পড়ে বলে তিনি মনে করছেন।

চেতন কুমারের দু’বার বিয়ে হয়েছিল। প্রথম স্ত্রীর একটি ও দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই কন্যা এ আত্মহত্যায় প্রাণ হারান। জানা গেছে, তিন বোন গত দুই বছর ধরে স্কুলে যায়নি।

স্থানীয় পুলিশ সুপার অতুল কুমার সিং জানান, পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মেয়েদের মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা অনলাইন ইতিহাস বিশ্লেষণে সহায়তা করবেন। তবে এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না যে আত্মহত্যার কারণ অনলাইন গেমিং আসক্তি।

চেতন কুমারের বক্তব্য অনুযায়ী, মেয়েরা লাফ দেওয়ার জন্য বাড়িতে দুই ধাপের একটি সিঁড়ি ব্যবহার করেছিল। পুলিশ বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ছড়িয়ে থাকা পারিবারিক ছবিও সংগ্রহ করেছে।

রাত ২টা ১৫ মিনিটে পুলিশ একটি কল পায়, ভারত সিটির একটি ফ্ল্যাটের ন’তলা থেকে তিন মেয়ে লাফ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের লোনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান করছে। গোটা এলাকা শোকস্তব্ধ। শিশু-কিশোরদের অনলাইন আসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে।