ঢাকা, শনিবার ০৭, নভেম্বর ২০২৬ ১২:০৬:১৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আজ ৭ নভেম্বর: ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ মুক্তি পেলেন কিউবার সাংবাদিক ইয়োয়ানি সানচেজ রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান ফের গ্রেফতার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রী উর্মি পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ওবায়দুল হত্যা মামলা, স্ত্রী সোনিয়া ৩ দিনের রিমান্ডে

আপডেট: ০১:৩২ পিএম, ২৪ জুলাই ২০১৫ শুক্রবার

1437735154স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : কোয়ালিটি আইসক্রিমের সাব জিরো ব্র্যান্ডের ব্যবস্থাপক ওবায়দুল হক হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার তার স্ত্রী তাসমিন খদিজা সোনিয়াকে (২৬) তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
শুক্রবার সোনিয়াকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ।
 
শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন মহানগর হাকিম।
 
চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক দীপক কুমার দাস বিষয়টি উইমেননিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
 
এর আগে বুধবার মধ্যরাতে ওবায়দুল হত্যা পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রামের 'ট্রিটমেন্ট' হাসপাতালের সামনে থেকে সোনিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
 
ddddউল্লেখ্য, গত ২৬ জুন রাতে নিজ কর্মস্থল বসুন্ধরা সিটি থেকে রিকশাযোগে বাসায় ফেরার পথে সার্কুলার রোডে খুন হন ওবায়দুল। তিনি প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ভাগ্নে। ওবায়দুলকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যার পর তার সঙ্গে থাকা ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় কিলিং মিশনের অংশ নেয়া তিন যুবক। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, ছিনতাইকারীদের হাতেই ওবায়দুল নিহত হয়েছেন। কিন্তু সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত মাহমুদুল হাসান মিঠু ও তানভীর আহমেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
 
জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এই দুই যুবক জানান, সাইফুল ওরফে রুবেলের সঙ্গে সোনিয়ার পরকীয়া ছিল। সোনিয়া ও রুবেলের পরিকল্পনায় ওবায়দুলকে খুন করে ছিনতাইয়ের নাটক সাজানোর চেষ্টা করা হয়। হত্যা মিশনে রুবেল ও পাপ্পু উপস্থিত ছিল। ঘটনার রাতে বসুন্ধরা সিটি থেকে ওবায়দুলকে অনুসরণ করার একপর্যায়ে তাকে হারিয়ে ফেলে চার পরিকল্পনাকারী। এর পর রুবেল মোবাইল ফোনে সোনিয়ার সঙ্গে কথা বলে তার স্বামীর অবস্থান জানাতে বলেন। বাসা থেকে স্বামীর সঙ্গে কথা বলে সোনিয়া মোবাইলে ফের রুবেলকে জানান, সার্কুলার রোডের একটি ওষুধের দোকানে তিনি রয়েছেন। এরপরই ওবায়দুলকে খুঁজে গুলি করা হয়। জাহাঙ্গীর নামের এক রিকশাচালক রক্তাক্ত গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কলাবাগান থানায় নেন। এরপর পুলিশ দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া পাপ্পু, তানভীর, মিঠু সোনিয়ার প্রেমিক রুবেলের আপন ভাগ্নে। পাপ্পু ও রুবেলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
২৪.০৭.২০১৫