ঢাকা, শনিবার ২১, মার্চ ২০২৬ ১৮:৩৬:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব

কত টাকা দিলে কত পেনশন পাবেন গ্রাহক

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:০৪ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ বৃহস্পতিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রস্তাবিত পেনশন ব্যবস্থায় একজন গ্রাহক ৮০ বছর পর্যন্ত পেনশন ভোগ করবেন। যারা ১৮ বছর বয়সে টাকা জমা দেয়া শুরু করবেন তারা পাবেন মাসে ৬৫ হাজার এবং ৩০ বছরে শুরু করারা পাবেন ১৯ হাজার টাকা।

বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এর একটি সারসংক্ষেপ সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার ওপর তৈরি করা কৌশলপত্র বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপন করেছে অর্থ বিভাগ। এর মাধ্যমে দেশে সর্বজনীন পেনশন চালু হচ্ছে বলে জানান তিনি।

‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তন হলো জাতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি উপহার।’ মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ পেনশনের কৌশলপত্র তৈরি করেছে। তা উপস্থাপন করলে প্রধানমন্ত্রী ওই দিনই এ ব্যাপারে আইন প্রণয়ন করতে অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী একটি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘ধরুন, মাসিক চাঁদা ১ হাজার টাকা, মুনাফা ১০ শতাংশ ও আনুতোষিক ৮ শতাংশ।

তাহলে ১৮ বছর বয়সে যদি কেউ চাঁদা দেওয়া শুরু করেন এবং ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত তা চালু থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তি অবসরের পর ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি মাসে ৬৪ হাজার ৭৭৬ টাকা পেনশন পাবেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কেউ যদি ৩০ বছর বয়সে চাঁদা দেওয়া শুরু করেন এবং ৬০ বছর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে, তাহলে অবসরের পর প্রতি মাসে তিনি ১৮ হাজার ৯০৮ টাকা করে পেনশন পাবেন।

চাঁদার পরিমাণ এক হাজার টাকার বেশি হলে আনুপাতিক হারে পেনশনের পরিমাণও বেশি হবে। তবে এ হিসাব একটি আনুমানিক হিসাব। প্রকৃত অবস্থা আইন ও বিধি প্রণয়ন এবং পেনশন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার পর জানা যাবে।’