ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ১২:৪৪:০৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব

কপাল চাপড়েও আর উদ্ধার পাব না : জয়া আহসান

বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩১ এএম, ১৬ নভেম্বর ২০২১ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় একটি বন্য হাতিকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হাতিটির বয়স আনুমানিক ১২-১৫। কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের পূর্ণগ্রাম বনবিটের অধীন সংরক্ষিত বনাঞ্চলে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তা এবং প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা হাতিটির সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সম্পন্ন করেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

পাঠকদের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রীর স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

'হাতির এমন অপূর্ব একটি সৌন্দর্য আছে, যা অন্য আর কোনো প্রাণীর মধ্যে নেই। আর কী রকম নিমেষেই যে হাতি আমাদের ছেলেমানুষীতে ভরা নিটোল শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে! খবর পেলাম, অনিন্দ্যসুন্দর তেমন একটি হাতিকে নাকি গুলি করে মারা হয়েছে চকরিয়ায়। দেশে হাতি মারার খবর প্রায় নিয়মিতই পাচ্ছি।

বনবিভাগ আর আইইউসিএনের একটি হিসেবে দেখা গেছে, বাংলাদেশের বনে মাত্র ২৬৮টি এশীয় হাতি বাস করছে। তাদের এক তৃতীয়াংশ বাস করে পার্বত্য চট্টগ্রাম আর কক্সবাজারে। খুব মনের আনন্দে নয়। কারণ বন উজাড় করে তাদের স্বাভাবিক চলাফেরার পথগুলো দখল করে নিচ্ছে মানুষেরা। ফলে তারা যখন নিজেদের পথে চলতে–ফিরতে আসছে, দখলদার মানুষেরাই উল্টো তাদের গুলি করে মারছে।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ২০টি হাতি মারার খবর পাওয়া গেছে। আজকে আরেকটি। গত ৬ দিনে ৪ টি হাতি মারা হল; বাংলাদেশ হাতির জন্য হয়ে উঠছে এক নির্মম গোরস্থান।

হাতি মহাবিপন্ন তালিকায় থাকা একটি প্রাণী। আমাদের অনন্য সৌভাগ্য যে বাংলাদেশ হাতির একটি সুন্দর বিচরণক্ষেত্র। তারা আমাদের ঐশ্বর্য। আগামী পৃথিবীর জন্য কি আমরা তাদের রক্ষা করব না?

আমি দাবি করি, আলাদা করে একটি বন্যপ্রাণী অধিদপ্তর বা বিভাগ খোলা হোক। নইলে অচিরেই আমাদের জীববৈচিত্র্য শূন্যের কোঠায় দৌড়ে নামতে শুরু করবে। কপাল চাপড়েও আর উদ্ধার পাব না।

আর সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের মনে একটু মমতা জন্মাক। আমরা জীবে দয়া করি। জীবে দয়া করে যেইজন, সে
ইজন সেবিছে ঈশ্বর।'