ঢাকা, শনিবার ০৮, আগস্ট ২০২৬ ১০:৩৯:৫৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন সয়াবিন তেলের সংকট, বাড়ছে পোলাও চালের দাম ‘জনস্বার্থবিরোধী পরিস্থিতি’, মেটাকে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা খুলনায় ধর্ষণ মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন বগুড়ায় গাড়ির ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

খুলনায় ধর্ষণ মামলায় দু’জনের যাবজ্জীবন

খুলনা প্রতিনিধি | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩৩ পিএম, ৭ আগস্ট ২০২৬ শুক্রবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

নগরীর দৌলতপুরের ১৪ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দু’জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের দু’জনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল খুলনা মহানগর, খুলনার বিচারক মুহাম্মদ আকরাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইকবাল মাহমুদ।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, দৌলতপুর থানার কুলিবাগান রেল কলোনি বস্তির রশিদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. সুলতানের ছেলে হিরু ও একই বস্তির বাসিন্দা ফরমান খাঁ’র ছেলে নজু খাঁ। রায় ঘোষণার পর তাদের আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। 

আদালতের সূত্র জানায়, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। বিদ্যালয় থেকে ফিরে গত ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতপুর কুলিরবাগান রেল কলোনি বস্তির বাসায় বসে হাত ও পায়ের নখ কাটছিল। হঠাৎ তার পা কেটে যায়। এ সময়ে ওষুধ আনতে আসামি নজু খাঁ’র বাসায় যায়। ঘটনাস্থলে হিরু উপস্থিত ছিল। আসামি নজু খাঁ বলে আমার ঘরে কোনো ওষুধ নেই। বের হয়ে আসার সময় হাত টান দিয়ে ঘরের মধ্যে নিয়ে গিয়ে ওই দু’জন পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

সূত্রটি আরও জানায়, ওই কিশোরীর মা স্থানীয় একটি জুট মিলের শ্রমিক। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। ঘটনার চারদিন পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় নজু খাঁ ও হিরুর নামে মামলা দায়ের করেন।

একই বছরের ৩০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট থানার এসআই শফিকুল ইসলাম উল্লিখিত দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠন করা হয়। পরবর্তীতে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল সৃষ্টির পর ৯ কার্য দিবস শেষে এ মামলাটি নিস্পত্তি করা হয়।