ঢাকা, রবিবার ০২, আগস্ট ২০২৬ ৩:০৮:৩৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনে ৬০ হাজার অভিবাসী ঢাকায় দিনের বেলা ঘরে ঢুকে নারী চিকিৎসককে হ/ত্যা জুলাইয়ে নারী নির্যাতন কমলেও বেড়েছে ধ/র্ষণ ও আত্ম/হ/ত্যা খুলনায় ট্রাকচাপায় একই পরিবারের ৩ নারী-শিশুর প্রাণহানী নাস্তার টেবিলেই নিভে গেল ঢাবি অধ্যাপক দীপ্তি সাহার জীবন

ঘরে ঢুকে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০৩ এএম, ১ আগস্ট ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ঘরের জানালা ভেঙে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। 
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী কিশোরীর চাচা জানান, ঘটনার রাতে কিশোরীর দাদির চোখের অস্ত্রোপচারের কারণে তার মা ও অন্য স্বজনরা ফরিদপুর শহরের একটি হাসপাতালে ছিলেন। বাড়িতে ওই কিশোরী তার ছোট বোন ও ভাইয়ের সঙ্গে অবস্থান করছিল। রাত ১টার দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের বসতঘর ঘিরে ফেলে এবং দরজা খুলতে চাপ দেয়। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় দুর্বৃত্তরা ঘরের জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

দুর্বৃত্তরা কিশোরীর চুল ধরে টানাহেঁচড়া করে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসার চেষ্টা করলে সশস্ত্র দলটি হামলার হুমকি দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে পাশের একটি গ্রামের পুকুরপাড় এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যায় তারা। সেখানে তিনজন তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওই এলাকার বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর কিশোরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ৩টার দিকে (ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর) দুর্বৃত্তরা তাকে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা সংগঠিত হয়ে ধাওয়া দিয়ে দুই অভিযুক্তকে একটি মোটরসাইকেলসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটক ব্যক্তিরা হলেন- হেলাল মৃধা (২০) ও রইস শিকদার (১৬)।

ভুক্তভোগীর মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, শাশুড়ির অপারেশনের জন্য আমি হাসপাতালে ছিলাম। খবর পেয়ে বাড়িতে এসে মেয়ের এই অবস্থা দেখে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি।

তিনি বলেন, আমার মেয়েকে ঘরের জানালা-দরজা ভেঙে উঠিয়ে নিয়ে যায়। রাত ৩টার দিকে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে যায়। আমি এ ঘটনায় জড়িত সবার ফাঁসি চাই।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শামছুল আজম বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, এলাকাবাসী যে দুজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে তারা বর্তমানে থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।