ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭, মার্চ ২০২৬ ৯:০৯:০৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
উইমেননিউজের প্রধান উপদেষ্টা রিজিয়া মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ খাল খননের মাধ্যমে দেশ গড়ার কর্মসূচিতে হাত দিলাম: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিসির সহায়তায় কোচ সম্প্রদায়ের দরিদ্র ১০ শিক্ষার্থীর মুখে হাসি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩৫ এএম, ৭ নভেম্বর ২০২৫ শুক্রবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের সামান্য সহায়তার ফলে শিক্ষা জীবনে আশার আলো ফিরে পেল কোচ সম্প্রদায়ের ১০ জন দরিদ্র শিক্ষার্থী । বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসক শরীফা হক শিক্ষা জীবন থেকে ঝড়ে পড়া এসব মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। ফলে, প্রায় অনিশ্চিত শিক্ষা জীবন থেকে মুক্ত হয় তারা।

জানা গেছে, পরিবারের আর্থিক অনটনের কারনে টাঙ্গাইলের সখিপুরের বিভিন্ন এলাকার কোচ সম্প্রদায়ের ১০ মেধাবী শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন থেকে ঝড়ে পড়ে। সম্প্রতি ব্ষিয়টি কোচ সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসক শরীফা হককে অবহিত করেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি ওই শিক্ষার্থীদের ডেকে আনেন। পরে শিক্ষার্থীদের হাতে নগদ ১০ হাজার টাকা করে তুলে দেন। শিক্ষার্থীরা জেলার সখিপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী।

শিক্ষা জীবনে ফিরে আসা শিক্ষার্থীরা হলেন, কামন্ত চন্দ্রের মেয়ে শিমুলী, সুনীল মেয়ে সুবর্ণা, নবীন চন্দ্রের মেয়ে নুপুর রানী, শ্রী সুনীল চন্দ্রের মেয়ে সঞ্চিতা রানী, অনিল চন্দ্রের মেয়ে অনিতা রানী, সুরেশ চন্দ্রের মেয়ে মুক্তি রানী, শ্রী গোপাল চন্দ্রের মেয়ে লতা রানী, কৃষ্ট মোহন কোচের মেয়ে শিপা রানী কোচ, নারায়ন কোচের মেয়ে চৈতি রানী এবং অন্তর কোচ ও পরেশ চন্দ্র কোচ এর ছেলে প্রকাশ চন্দ্র কোচ।

প্রসঙ্গত, গারো পাহাড়ে কোচ সম্প্রদায়ের লোকেরা খুবই অভাব-অনটন ও দুঃখ- দুর্দশার মধ্যে জীবনযাপন করে। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারনেই তাদের পরিবারের সন্তানেরা শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পরে।

এপ্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, কোচ জনগোষ্ঠীসহ কোনো শিক্ষার্থীই যেন অর্থাভাবে ঝরে না পড়ে এবং শিক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত আছে।