ঢাকা, শুক্রবার ১২, জুন ২০২৬ ৫:০০:৪৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বাজেটে কমেছে ও বেড়েছে যেসব পণ্যের দাম সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু কমছে না আলুর দাম মেঘনায় নিখোঁজের ২৮ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার ১৯ বছর পর বিএনপি সরকারের বাজেট আজ বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকছে ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী আজ ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট পেশ যে শর্তে কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা আজ বৃহস্পতিবার পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের

ঢাকায় স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা

বিবিসি বাংলা অনলাইন | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২৩ পিএম, ৮ জানুয়ারি ২০২১ শুক্রবার

স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

ঢাকায় একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ও-লেভেল পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলায় একজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে কলাবাগান থানায় এই মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা।

আজ শুক্রবার অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কলাবাগান থানার ওসি আ ফ ম আসাদুজ্জামান।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় ওই ছাত্রী। বিষয়টি সে তার মাকে ফোন করে জানায়।

বেলা দেড়টার দিকে অভিযুক্ত ফোন করে ওই ছাত্রীর মা'কে জানায় যে, "মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিল। আকস্মিকভাবে সে অচেতন হয়ে পড়ায় ঢাকার বেসরকারি একটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।"

খবর পেয়ে মেয়েটির মা দ্রুত তার অফিস থেকে বেলা ২টার মধ্যে হাসপাতালে উপস্থিত হন।

হাসপাতালে থাকা কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, তার মেয়েকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলা হয়েছে।

এরপর নিহতের বাবা খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে আসেন এবং সেখানকার ডাক্তার, নার্স ও হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে জানতে পারেন, অভিযুক্ত ওই তরুণ তার মেয়েকে ফাঁকা বাসায় ডেকে নিয়ে যায় এবং তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে।

রক্তক্ষরণের এক পর্যায়ে মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে অভিযুক্ত তরুণ তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। সেখানেই মেয়েটি মারা যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

পরে কলাবাগান থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠায়।

ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।