ঢাকা, রবিবার ২২, মার্চ ২০২৬ ১১:৫৫:২১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে আজ বন্ধ থাকছে মেট্রোরেল ঈদের দিন ফাঁকা রাজধানী, নিস্তব্ধতায় ভিন্ন এক ঢাকা জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে ‘যমুনা’য় জনতার ঢল চাঁদরাতে কেনাকাটা: ভিড়ে মুখর নগর জীবন নারীদের জন্য রাজধানীর কোথায় কখন ঈদ জামাত আজ ঈদুল ফিতর, দেশজুড়ে আনন্দ-উৎসব

দেশের ৩৫ শতাংশ তরুণ ইন্টারনেটেই ডুবে থাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০৬ এএম, ১ নভেম্বর ২০২১ সোমবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মোট ১১ কোটি ৬১ লাখের বেশি। এর মধ্যে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১০ কোটি ৬৩ লাখ। মূলত, করোনার কারণে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়েছে। সম্প্রতি এক জরিপে এমনটাই উঠে এসেছে। তবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসব্যাপী এক জরিপে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

দেশের টেলিনর গ্রুপ, গ্রামীণফোন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, করোনার শুরুর পর থেকে বাংলাদেশের ৮৬ শতাংশ তরুণ ইন্টারনেটে বেশি সময় কাটাচ্ছেন। এর মধ্যে ৩৫ শতাংশ তরুণেই আবার দিনরাত সবসময়ই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। ১৫ শতাংশ সন্ধ্যায় আর ২ শতাংশ শুধু স্কুল চলাকালে ইন্টারনেট চালু রাখেন।

বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড- এ চারটি দেশে জরিপটি পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছেন গ্রামীণফোনের করপোরেট কমিউনিকেশন্স ম্যানেজার তাজরিবা খুরশীদ।

গ্রামীণফোনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জরিপে ৩ হাজার ৯৩০ জন অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ১৬ শতাংশ বাংলাদেশি তরুণ।

জরিপ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশি তরুণদের ৮৫ শতাংশের মনে করেন, অনলাইন বুলিং একটি মারাত্মক সমস্যা। দেশে বর্তমানে ডিজিটালাইজেশনের যে ধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তার সঙ্গে তালমিলিয়ে বিষয়টির দিকে নজর রাখা এবং সচেতনতা তৈরির গুরুত্বও এখন অনেক বেড়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া সব দেশের ২৯ ভাগ তরুণ জানিয়েছে, করোনার আগেই তারা বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ শতাংশ জানিয়েছে, করোনা শুরুর পর থেকে তারা আরও বেশি অনলাইন বুলিংয়ের শিকার হয়েছে।

জরিপে অনলাইনে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে তরুণরা আরও কী কী নির্দেশিকা ও প্রশিক্ষণ চান, সে ব্যাপারেও জিজ্ঞেস করা হয়েছিল।

তরুণরা অনলাইনে হয়রানি মোকাবিলায় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপস (৫৬ শতাংশ), অনলাইনে তাদের গোপনীয়তা রক্ষা (৪৬ শতাংশ) এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার উন্নতি (৪৩ শতাংশ) সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহী। এ ছাড়াও অংশগ্রহণকারীরা মেসেজিং অ্যাপে (৪০ শতাংশ) অনলাইন বুলিং থেকে সুরক্ষা পেতে এবং গেমিং ও স্ট্রিমিং ভিডিও গেমসের (৩৭ শতাংশ) সময় অনলাইন বুলিং প্রতিহত করতে আগ্রহী।