ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৩:২৩:১৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের আত্মহত্যা গাজা গণহত্যা: ফ্রান্সে দুই ইসরায়েলি নারীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বায়ু ২০৩০ সালের মধ্যে ৫৪ লাখ শিশুর মৃত্যুঝুঁকি: গবেষণা সতর্কবার্তা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন কারাবন্দিরা চালকদের বদঅভ্যাসেই শব্দদূষণ বাড়ছে: রিজওয়ানা রমজানে কম দামে মাংস, মুরগি, ডিম ও দুধ বিক্রি করবে সরকার

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুতদারদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ার

বাসস | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:২৫ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২৪ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অবৈধ মজুতদারি ও বাজার কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছেন, এসব অপকর্মের হোতাদের তাদের কাজের জন্য কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আজ সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সভাপতিত্বকালে দেওয়া সূচনা ভাষণে বলেন, কেউ অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো পণ্য মজুত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আমরা তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিবো এবং প্রয়োজনে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে।

নির্বাচনের পরপরই (নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের) আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি অত্যন্ত অস্বাভাবিক উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে কারা কারসাজি করছে তা খুঁজে বের করা অপরিহার্য। 

তিনি আরো বলেন, “কেবল তাদের খুঁজে বের করলেই হবে না, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাও নিতে হবে। আমরা ভবিষ্যতে তাই করব।” 

প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান যাতে কেউ খাদ্যদ্রব্য মজুদদারি ও কালোবাজারি করে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য নিয়ে খেলা খেলতে না পারে।

তিনি আরও বলেন, “খাদ্যদ্রব্য নিয়ে খেলা খেলার কোন মানে নেই।”

দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ প্রমুখ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা একান্তভাবে দরকার। কেউ কেউ ভেবেছিল ইলেকশন হবে না এবং সে ধরনের প্রচার প্রপাগান্ডা ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছিল নির্বাচনের আগে। মানুষকে দ্বিধাগ্রস্ত করে দেয়ার জন্য। 

তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণকে সাধুবাদ ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। কেননা এদেশের সাধারণ মানুষ বা ভোটাররা ওই সব কথায় কোন কান দেয়নি। ‘ভোট কেন্দ্রে যাবেন না বা ভোটে অংশ নেবেন না’ বলে তারা লিফলেটও বিলি করেছে। তাতেও মানুষ কিন্তু সাড়া দেয়নি। লিফলেট হয়তো হাতে নিয়েছে এটা ঠিক, কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় তারা ভোটকেন্দ্রে ঠিকই হাজির হয়েছে। জনগণের অংশগ্রহণেই একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবার নতুনভাবে আমাদের যাত্রা শুরু। আমাদের সামনে এখন অনেক কাজ।

তিনি বলেন, কোভিড ১৯ এর অতিমারি এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, স্যাংশন, পাল্টা স্যাংশন- এর ফলে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয় উন্নত দেশগুলো এর ধাক্কা সামাল দিতে পারছে না। বিশ্ববাজারে পণ্যের উচ্চ মূল্য এবং পরিবহনের মূল্য বেড়ে যাওয়াতেই এই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। যার জন্য আমি সব সময় চেষ্টা করেছি আমাদের নিজস্ব উৎপাদন বাড়ানোর, আমাদের এটাই একমাত্র উপায়। 

তিনি দ্রব্যমূল্যের আকস্মি উর্ধ্বগতি সম্পর্কে আরো বলেন, এবার আমাদের ভালো ফসল হয়েছে এবং চাল উৎপাদন বেড়েছে কিন্তু নির্বাচনের পরে হঠাৎ দাম বাড়াটা একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। মানুষ আনন্দিত ও খুশি যে নির্বাচন হয়ে গেছে এবং আমরা সরকার গঠন করেছি। আমাদের এখন কাজ হচ্ছে এ পর্যন্ত আমরা যে উন্নয়নটা করেছি সেই উন্নয়নটাকে আমাদের টেকসই করা। যাতে মানুষ তার শুভ ফলটা পায়। 

তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশের যে মর্যাদা আমরা পেয়েছি যেটা ২০২৬ সালের কার্যকর হবে তা ধরে রেখে দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করে তোলা ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি আগামীর বাংলাদেশ হবে স্মার্ট।