ঢাকা, রবিবার ২৮, জুন ২০২৬ ২২:০৯:২৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ৩২-এর সূচি সমৃদ্ধ দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির আভাস, সতর্কবার্তা জারি তীব্র তাপপ্রবাহে কাঁপছে ইউরোপ, ঝুঁকিতে ১৫ কোটি মানুষ

নির্মাণশ্রমিকদের হাতে খুন হন ঢাবির সাবেক অধ্যাপক

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৩১ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২২ শুক্রবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদা গাফফারের হাতের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন কন্ট্রাক্টর আনারুল ইসলাম। এতে অধ্যাপক সাইদা চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বলে প্রাথমিক ধারণা করছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের কথাও স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার করা কন্ট্রাক্টর আনারুল ইসলাম।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবাসন প্রকল্পের ভেতরে ঝোপ থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অধ্যাপক সাইদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নির্মাণাধীন বাড়ির কন্ট্রাক্টর ও রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন আনারুল। এ ঘটনায় একটি মামলা করেছেন নিহত অধ্যাপকের ছেলে সাউদ ইফখার বিন জহির।

অধ্যাপক সাইদা ঢাকা বিশ্বদ্যালয়ের শিক্ষক আবাসন প্রকল্পে তার মালিকানাধীন প্লটে বাড়ি করার জন্য প্রকল্প সংলগ্ন দক্ষিণ পানিশাইল মোশারফ মৃধার বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। সেখানে থেকেই বাড়ি নির্মাণ কার্যক্রম দেখাশোনা করতেন। সেখান থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে মরদেহটি পাওয়া গেছে।

অধ্যাপক সাইদা যে বাসায় ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ির মালিক মোশারফ হোসেন মৃধা বলেন, প্রায় আট মাস ধরে আমার বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট ভাড়া নেন অধ্যাপক সাইদা। তার এক ছেলে ও তিন মেয়ে। ছেলে বেসরকারি ব্যাংকের ম্যানেজার। দুই মেয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। আরেক মেয়ে ঢাকায় থাকেন। ম্যাডাম ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। একটা বিদেশি কুকুর পোষতেন। মাঝেমধ্যে তার ছেলে ও ছেলের স্ত্রী আসতেন।

এর আগে বুধবার (১২ জানুয়ারি) সাইদা গাফফারের নিখোঁজের ঘটনায় তার মেয়ে সাদিয়া আফরিন কাশিমপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কাশিমপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ মিজানুর রহমান বলেন, অধ্যাপক সাইদার হাতে টাকা দেখে তা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে তিনি চিৎকার শুরু করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যান আনারুল।