ঢাকা, মঙ্গলবার ০৩, নভেম্বর ২০২৬ ২০:১১:৫৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শিশু সহিংসতা রোধে কঠোর ট্রাইব্যুনাল : ৯ মাসে ২ মৃত্যুদণ্ড গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মারুফাকে ছাড়া নারী টি-টোয়েন্টি দল জেল হত্যা দিবস: শোক ও বেদনায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ সেই বীথি এখন হেড কোচ, স্বপ্নের পরিসর আরও বড় ১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে ‘মুরাসু’র আঘাত

পাকিস্তানে আসিয়াকে বাঁচাতে স্বামীর আকুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৯:৪৪ এএম, ৫ নভেম্বর ২০১৮ সোমবার

পাকিস্তানে ব্লাসফেমি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি পাওয়া খ্রিস্টান নারী আসিয়া বিবির স্বামী রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় আবেদন করেছেন।

 

বিবিসি জানায়, আসিয়া বিবির স্বামী আশিক মাসিহ বলেছেন, তারা পাকিস্তানে চরম বিপদের মধ্যে বসবাস করছেন।

 

ব্লাসফেমির অভিযোগে আসিয়া বিবিকে যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল সেখানে থেকে তাকে মুক্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 
আসিয়া বিবি ১০ বছর কারাগারে ছিলেন।

 

আদালত আসিয়া বিবিকে মুক্তি দেবার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাস্তায় সহিংস বিক্ষোভ হয়েছে। ফলে আসিয়া বিবির দেশ ত্যাগের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।

 

সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, আসিয়া বিবির বিরুদ্ধে মামলাটিতে বিশ্বাসযোগ্য কোন প্রমাণ হাজির করা হয়নি। জনসম্মুখে আসিয়া বিবিকে হত্যার হুমকি দেবার পর তিনি দোষ স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন বলে আদালত উল্লেখ করেছে।


শনিবার আসিয়া বিবির আইনজীবী সাইফ মুলুক প্রাণের ভয়ে পাকিস্তান ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।


আসিয়া বিবির প্রকৃত নাম আসিয়া নরিন। কিন্তু তিনি আসিয়া বিবি হিসেবে পরিচিত।


২০১০ সালে প্রতিবেশীর সাথে বাক-বিতণ্ডার সময় আসিয়া বিবি ইসলামের নবী মোহাম্মদকে অপমান করেছেন বলে অভিযোগ উঠে। এরপর আদালত তাকে সাজা দেয়।


আসিয়া বিবিকে আশ্রয় দেবার জন্য কয়েকটি দেশ প্রস্তাব দিয়েছে।

পাকিস্তানের জাতীয় ধর্ম হলো ইসলাম। ইসলাম ধর্ম অবমাননার জন্য কঠোর আইনের পক্ষে পাকিস্তানে জোরালো জনমত রয়েছে।


কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদরা প্রায়ই এ আইনের আওতায় কঠোর শাস্তি সমর্থন করেন। কিন্তু সমালোচকরা বলেন, অনেক সময় ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়ে প্রতিশোধ নেবার জন্য ব্লাসফেমি আইন ব্যবহার করা হয়। এসব অভিযোগের খুবই ঠুনকো বিষয়ের উপর ভিত্তি করে হয়।

 

ব্লাসফেমি আইনে যারা দোষী সাব্যস্ত হয় তাদের বেশিরভাগ আহমদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের। কিন্তু ১৯৯০`র দশক থেকে বেশ কিছু খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ব্লাসফেমি আইনে সাজা পেয়েছেন। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১.৬ শতাংশ খ্রিস্টান।
১৯৯০ সাল থেকে ব্লাসফেমির অভিযোগ তুলে পাকিস্তানে অন্তত ৬৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

এই বিভাগের জনপ্রিয়