ঢাকা, শনিবার ০৩, অক্টোবর ২০২৬ ৪:৪৫:১৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক হুমায়ূন বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১২৪২ কক্সবাজারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন চার্চ থেকে চুরি হওয়া ৭০ কেজির পিতলের ঘণ্টা উদ্ধার

বাজারে স্বস্তি নেই, কিছু পণ্যে কমেছে দাম

জোসেফ সরকার | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:২৬ এএম, ২ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। কোনো কোনো পণ্যের দাম সামান্য কমলেও সবজি, মাছ, তেল ও কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম ক্রেতাদের চাপে রেখেছে। আজ শুক্রবার রাজধানীর শান্তিনগর, কারওয়ান বাজার ও তুরাগের নতুনবাজারের বাজারচিত্রে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।

বাজারে সরু চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। মানভেদে নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল কেজি ৭২ থেকে ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মোটা ও মাঝারি মানের ইরি, স্বর্ণা, পাইজাম ও আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি। খোলা সয়াবিন তেল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।

তবে কিছু পণ্যে ক্রেতারা সামান্য স্বস্তি পেয়েছেন। দেশি পেঁয়াজ কেজিতে পাঁচ টাকা কমে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং দেশি রসুন ৯০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা রসুনের দাম ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি।

সবজির বাজার অবশ্য এখনো চড়া। বেগুন ১০০ থেকে ১৩০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, পটোল ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং ঝিঙা ও ধুন্দল ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা নিজামউদ্দিন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মাঠ থেকে পাইকারি এবং পাইকারি থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় কিছু সবজির দাম সামান্য কমেছে। শীতের সবজি বাজারে এলে দাম আরও কমতে পারে বলে আশা করেন তিনি।

অন্যদিকে মাছের বাজারে এখনো বাড়তি দাম। রুই, কাতলা, শিং, কই, পাবদা, চিংড়ি, তেলাপিয়া ও পাঙাশসহ বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। খোলা আটা কেজি ৫০ টাকা এবং খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মেরাদিয়া বাজারের এক ক্রেতা হাফিজুর রহমান বলেন, “বাজার তো ঊর্ধ্বমুখী। মাছের বাজার চড়া। আয়-ব্যয়ের সঙ্গে এখন আর কোনো সামঞ্জস্য নেই। সবাই অল্প অল্প করে কিনছেন।”

গৃহিণী আফরোজা বেগমের কথাতেও একই হতাশা। তিনি বলেন, “আগে যেখানে বেশি কিনতাম, এখন একটু কমই কিনতে হয়।” তার অভিযোগ, কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও বাজারে সামগ্রিকভাবে স্বস্তি নেই।

বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দাম কমানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এর আগে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পর বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, বাড়তি পরিবহন ব্যয়ের প্রভাব ধীরে ধীরে নিত্যপণ্যের দামে পড়তে পারে।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সর্বশেষ বাজারতথ্যেও ঢাকার বাজারে সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ, আদা, চিনি, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের উল্লেখযোগ্য দামের চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, কিছু পণ্যের দাম কমলেও বাজারের সার্বিক চিত্র এখনো ক্রেতাবান্ধব নয়। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য করতে গিয়ে অনেক পরিবারকেই প্রয়োজনীয় পণ্যের পরিমাণ কমিয়ে বাজার করতে হচ্ছে।