ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৪৪:৩৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ছদ্মনামে লিখে সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ইসাবেল আলেন্দে বাঙালি মহীয়সী নারী ইলা মিত্রের জন্মদিন আজ ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদফতর রাজধানীর বাইরে অনুমোদন ছাড়াই চলছিল ইনানীর রিসোর্ট টুপটুপ কলকাতায় পূজামণ্ডপ ভেঙে ১৩ নারীসহ ১৯ জনের প্রাণহানী হাসপাতালে ডাক্তারের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইনানী রিসোর্টে আগুন: নিহতদের ৬ জনের পরিচয় মিলেছে

বিমানে দায়িত্ব দিয়ে ফের প্রত্যাহার, আলোচনায় শাহনাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৮ পিএম, ১৭ জুন ২০২৬ বুধবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও দায়িত্ব বণ্টন প্রক্রিয়া নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। ফ্লাইট সার্ভিস বিভাগের ব্যবস্থাপক শাহনাজ বেগমকে উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি এক আদেশে শাহনাজ বেগমকে ডিজিএমের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে আদেশ জারির পরপরই বিষয়টি নিয়ে বিমান অঙ্গনে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে একই দিনে দায়িত্ব প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে ঘটনাটি আরও বেশি আলোচনার জন্ম দেয়।

বিমান সূত্রে জানা যায়, শাহনাজ বেগমকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। কর্মীদের একাংশের দাবি, চাকরিজীবনের তিন দশকের বেশি সময় পার হওয়ার পর জন্মতারিখ সংশোধনের মাধ্যমে তিনি চাকরির মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে নেন। এছাড়া তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত নথি নিয়েও বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

কর্মীদের অভিযোগ, অতীতে শিডিউলিং ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ফ্লাইট ডিউটি বণ্টনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। এতে অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষও তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটে ক্রু নির্বাচন নিয়েও বিতর্কের কথা উল্লেখ করেছেন কয়েকজন কর্মী। তাদের দাবি, পরবর্তীতে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কয়েকজন ক্রুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আরও একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট একটি মামলায় শাহনাজ বেগমের নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ থাকার পরও তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা জানতে চান তারা। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শাহনাজ বেগমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র বোসরা ইসলাম বলেছেন, শাহনাজ বেগমকে ডিজিএম পদে স্থায়ী পদোন্নতি দেওয়া হয়নি, কেবল অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে না করলে সেই দায়িত্ব প্রত্যাহার করতেই পারে।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তাদের দাবি, পদোন্নতি ও দায়িত্ব প্রদান প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।